এর আগে গতকাল সোমবার নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ শেষ হলে স্পিকার ওম বিড়লা বিক্ষোভ দেখানো বরদাশত না করে চার কংগ্রেস সদস্যকে চলতি বর্ষা অধিবেশনের পুরো সময়ের জন্য সাসপেন্ড করেন। তিনি বলেন, বেলা তিনটায় আলোচনার অনুমতি দেওয়া হবে। কিন্তু সে সময়ও বিক্ষোভ চলায় স্পিকার ওম বিড়লা বাধ্য হয়ে ওই ব্যবস্থা নেন।

আজ মঙ্গলবারও রাজ্যসভায় একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটায় বিরোধী দলের ১৯ এমপির বিরুদ্ধে একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বরখাস্তের পর এমপিরা পার্লামেন্ট ত্যাগ না করে বিক্ষোভ করায় প্রায় এক ঘণ্টা অধিবেশন মুলতবি রাখা হয়।

ভারতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে বিরোধী দলের এমপিরা অনেক দিন ধরেই সোচ্চার। আজ রাজ্যসভার ১৯ এমপিকে বরখাস্তের ঘটনায় বিরোধী দলের ক্ষোভ আরও বেড়ে যাবে। ভারতের বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ক্ষমতাসীন দলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নীতি নিয়ে সমালোচনা করায় তাঁদের কণ্ঠ রোধ করতে চাইছে সরকার।

এদিকে বরখাস্তের ঘটনার পর অনেকেই এর প্রতিবাদ করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ডেরেক ও ব্রায়েন সাংবাদিকদের বলেন, ‘সরকার গণতন্ত্রকে বরখাস্ত করেছে।’

বরখাস্ত হওয়া এমপিদের মধ্যে সাতজনই তৃণমূল কংগ্রেসের। তাঁরা হলেন সুস্মিতা দেব, মওসুম নূর, শান্তা ছেত্রী, দোলা সেন, শান্তনু সেন, অভিরঞ্জন বিশ্বার, মো. নাদিমুল হক। এ ছাড়া রয়েছেন তামিলনাড়ুর দ্রাবিদা মুনেত্রা কাজাগাম (ডিএমকে) দলের সদস্য এম হামিদ আবদুল্লাহ, এস কল্যাণসুন্দরম, আর গিরঞ্জন, এন আর এলাঙ্গো, এম শানমুগাম, কানিমজি এনভিএন সোমু। তেলেঙ্গেনা রাষ্ট্র সমিতির (টিআরএস) এমপি লিনগাইয়া যাদব, রবীন্দ্র ভাদিরাজু, দামোদর রাও দিভারকোন্ডা। কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (মার্ক্সিস্ট) এ এ রহিম, ভি সিভাদসন এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার এমপি সন্দোষ কুমার পি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন