আলিপুরদুয়ার আদালতের সরকারি কৌঁসুলি প্রশান্ত নারায়ণ মজুমদার জানিয়েছেন, আলিপুরদুয়ার আদালতের তৃতীয় বিচার বিভাগীয় বিচারক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে চুরির মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। নিশীথ প্রামাণিকের বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার দিনহাটার ভেটাগুড়িতে। যদিও এই মামলার শুনানির সময় নিশীথ প্রামাণিকের পক্ষের কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার খবরে উত্তাল হয়ে পড়েছে কোচবিহার ও দিনহাটা অঞ্চল। এ ঘটনার পর নিশীথ প্রামাণিক কোনো মন্তব্য না করলেও বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেছেন, রাজ্য পুলিশ কতটা নির্লজ্জ হলে ২০০৯ সালের মামলায় ২০২২ সালে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে! এ থেকেই স্পস্ট হয়, শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এতে কিচ্ছু এসে যাবে না। সামনে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই এই নির্বাচনে জেতার লক্ষ্যে এ ধরনের রাজনৈতিক খেলা শুরু করেছে। এতে পার পাবে না তৃণমূল।
তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার জেলার সভাপতি মৃদুল গোস্বামী বলেছেন, ‘এটা আমাদের জন্য কত দুর্ভাগ্য যে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে মামলা হয়। এসব ঘটনার পর বিজেপির আর বড় করে মুখ খোলার পথ থাকবে না।’

আর কোচবিহারে নিশীথ প্রামাণিকের প্রতিপক্ষ তৃণমূলের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেছেন, ‘আমরা তো প্রথম থেকেই বলেছিলাম, নিশীথ প্রামাণিকের মতো একজন ‘সমাজবিরোধী’–কে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আসনে বসানো আমাদের দুর্ভাগ্য ছাড়া আর কিছু নয়। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে আমাদের অভিযোগকে মান্যতা দিলেন আদালত।’

আর এ ঘটনার পর বিজেপির আলিপুরদুয়ারের সংসদ সদস্য জন বার্লা বলেছেন, এসব করে পার পাবে না তৃণমূল। রাজ্য সরকার তো এখন উন্নয়নের কাজ না করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে রাজনীতি শুরু করেছে।