গতকাল শনিবার মৃত্যু হয় নেগির। তিনি অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক। তিনি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৫১ সালের প্রথম নির্বাচনে ভোট দিয়েছিলেন। ভারতব্যাপী নির্বাচনটা হয় ১৯৫২ সালে। তবে হিমাচলের তীব্র তুষারপাতের কথা বিবেচনা করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পাঁচ মাস আগে হিমাচলে ১৯৫১ সালেই নির্বাচন হয়। ওই নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ভূমিধস বিজয় অর্জন করে। ভারতের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হন জওহরলাল নেহরু। ভারত স্বাধীন হয় ১৯৪৭ সালে।

১২ নভেম্বর হিমাচলের নির্বাচন। তবে এর আগে গত সপ্তাহে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেন নেগি। তাঁর ভোটদানের বিষয়টি স্মরণীয় করে রাখতে নেগিকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেয় ভারতের নির্বাচন কমিশন। এই প্রথমবার শারীরিক অসুস্থতার জন্য ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে ভোট দেন নেগি।

এর আগে ২০১৪ সালে নেগি ভারতের নির্বাচন কমিশনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর মনোনীত হন। ভারতের ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতেই তাঁর ভিডিও প্রচার করা হয়। সেই ভিডিওতে নেগি বলেন, ‘আপনাকে অবশ্যই এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। কারণ, ভোট দেওয়া শুধু আমাদের অধিকার নয়, এটি আমাদের দায়িত্বও বটে।’

গতকাল একটি নির্বাচনী প্রচার সভায় নেগির প্রতি শ্রদ্ধা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।