ভাস্করজ্যোতি মোহন্ত গৌহাটিতে সাংবাদিকদের বলেন, পর্যটনের উদ্দেশ্য বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ। কিন্তু এর পরিবর্তে পর্যটন ভিসার অপব্যবহার করেছেন তাঁরা। তাঁদের অনেকে চিকিৎসার জন্য ভিসা নিয়ে ভারতে এসেও ধর্মীয় প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন বলে জানান মোহন্ত। আসাম পুলিশ জানিয়েছে, ওই ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিক ১৩ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার দিয়ে আসামে ঢোকেন।

বাংলাদেশি নাগরিকদের তরফে কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

ভাস্করজ্যোতি মোহন্ত বলেন, বাগমারি নামের এক এলাকা যাকে চর অঞ্চল বলা যায়, এই ব্যক্তিদের সেখানে প্রথমে চিহ্নিত করা হয়। গ্রেপ্তার বাংলাদেশি নাগরিকেরা বাগমারি এলাকায় ধর্মীয় আলাপ-আলোচনা চালাচ্ছিলেন। পর্যটকের ভিসা নিয়ে ভারতে এসে এই কাজ করা বেআইনি।

আসাম ও বরাক উপত্যকায় বাংলাদেশ থেকে বক্তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয় ধর্মীয় সভা বা জলসায় বক্তব্য রাখার জন্য। এই রীতি যে দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে, তা স্বীকার করেছেন আসাম পুলিশের মহাপরিচালক। এ রীতি যদি দীর্ঘকাল ধরে চলে আসে এবং বক্তারা যদি মৌলবাদী বা জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত না থাকেন, তবে তাঁদের হঠাৎ কেন গ্রেপ্তার করা হলো, পুলিশের তরফ থেকে তা এখনো পরিষ্কার করে জানানো হয়নি।

আসামে গত ছয় মাসের বেশি সময়ে অন্তত ৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চারটি মাদ্রাসা এখন পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন