পুলিশ জানিয়েছে, আয়ুশি চৌধুরী পরিবারকে না জানিয়ে ছত্রপাল চৌধুরী নামের ভিন্ন গোত্রের এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। এ নিয়ে তাঁর বাবা নীতেশ যাদব চটে ছিলেন। এ ছাড়া প্রায়ই রাতে দেরি করে বাড়ি ফিরতেন আয়ুশি। এসবের জেরে নীতেশ যাদব গত বৃহস্পতিবার তাঁকে গুলি করে হত্যা করেন।

আয়ুশিকে হত্যা করার পর তাঁর মরদেহ ১২ ঘণ্টা বাড়িতে রেখে দেন বাবা নীতেশ যাদব। এরপর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মেয়ের মরদেহ স্যুটকেসে ভরেন তিনি। পরে স্যুটকেসটি মথুরায় ফেলে আসা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সড়কের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধারের পরিচয় শনাক্তে মাঠে নামে পুলিশ। যাচাই করা হয় বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুঠোফোনের অবস্থান। এমনকি দিল্লিতে আয়ুশি চৌধুরীর ছবি দিয়ে পোস্টারও ছাপানো হয়।

একপর্যায়ে গতকাল রোববার সকালে অজ্ঞাতনামা একটি মুঠোফোন নম্বর থেকে পুলিশকে ফোন দিয়ে আয়ুশি চৌধুরীর পরিচয় জানানো হয়। এগিয়ে আসে তাঁর পরিবারও। মরদেহ শনাক্তের সময় নীতেশ যাদবকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তখনই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।