অমিত শাহ বৈঠকে জানান, নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হবেন। সারা দেশে অন্যান্যবারের মতোই প্রচার চালাবেন। এর আগে বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং একই কথা বলেন। ২০১৯–এর নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশজুড়ে এক শ’রও বেশি গণসমাবেশে বক্তব্য দিয়েছিলেন। আর এক লাখ কিলোমিটারেও বেশি পথ বিভিন্ন যানবাহনে ঘুরেছিলেন।

বিজেপিতে আরও অনেক বড় মাপের নেতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই তৃতীয়বারের জন্য লোকসভা নির্বাচন লড়বে বিজেপি। নির্বাচনের দেড় বছর আগে এ ঘোষণাই দিলেন অমিত শাহ। এর আগে দুবার, ২০১৪ ও ২০১৯ সালে মোদির নেতৃত্বে লড়ে জিতেছে বিজেপি। ২০১৯ সালে তাদের ভোট এবং আসনসংখ্যা বেড়েছে।

২০২৪–এর নির্বাচনের সময় আনুষ্ঠানিকভাবে নরেন্দ্র মোদির বয়স হবে ৭৩। ফলে ২০১৯ সালে নির্বাচনের আগে যে ঘোষণা বিজেপি করেছিল যে ৭৫ বছরের উপরে কাউকে প্রার্থী করা হবে না, সেই নিয়মও প্রযোজ্য হচ্ছে না। তবে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি যদি জেতে, তাহলে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁর ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেন, সেটাই দেখার। কারণ, ২০২৯ সালের নির্বাচনের সময় নরেন্দ্র মোদির বয়স হবে ৭৮।

বিজেপি ইতিমধ্যেই নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। নির্বাচনে বিজেপির শক্তি এবং দুর্বলতা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে একটি দলও গঠন করা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে জানা গেছে।

নানা স্তরে নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তাকে যে আবারও দল তুলে ধরার চেষ্টা যে দলটি করবে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহও নেই। অন্যবারের মতোই, এবারেও নির্বাচন–সম্পর্কিত গোটা পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করার দায়িত্বে থাকবেন নরেন্দ্র মোদির প্রধান সেনাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহই।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন