অজিত পাওয়ারকে বহনকারী উড়োজাহাজটি ৩৫ মিনিট আকাশে ছিল, অবতরণের আগমুহূর্তে বিধ্বস্ত

মহারাষ্ট্র রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারছবি: এএনআই

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারকে বহনকারী উড়োজাহাজটি বারামতির কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার আগে প্রায় ৩৫ মিনিট আকাশে উড়ছিল। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটায় এমনই তথ্য পাওয়া গেছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল বিভাগের মহাপরিচালক (ডিবিসিএ)-এর প্রাথমিক তথ্যমতে, উড়োজাহাজে থাকা পাঁচজন আরোহীর কেউই বেঁচে নেই। এটি বেশ গুরুতর দুর্ঘটনা হওয়ায় ‘এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো’ (এএআইবি) এই ঘটনার তদন্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫ (নিবন্ধন নম্বর ভিটি–এসএসকে)। বেসরকারি চার্টার কোম্পানি ভিএসআর এভিয়েশন এই উড়োজাহাজটি পরিচালনা করত।

আরও পড়ুন

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪–এর তথ্য অনুযায়ী, উড়োজাহাজটি সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে এবং ৮টা ৪৫ মিনিটে রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ডেটা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বারামতি বিমানবন্দরে অবতরণ করার প্রস্তুতির সময় রানওয়ের সঙ্গে সমান্তরাল হওয়ার জন্য উড়োজাহাজটি একটি চক্কর দিয়েছিল। ঠিক এরপরেই সেটি নিখোঁজ হয়ে যায়।

উড়োজাহাজে অজিত পাওয়ার ছাড়াও আরও চারজন আরোহী ছিলেন। তাঁরা হচ্ছেন—অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা, একজন অ্যাটেনডেন্ট এবং দুজন পাইলট।

আরও পড়ুন
ভারতের মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিধ্বস্ত উড়োজাহাজ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, পুনে
ছবি: এএনআই

উড়োজাহাজ ও অপারেটর সম্পর্কে যা জানা গেল

লিয়ারজেট ৪৫ হলো কানাডার বম্বার্ডিয়ার অ্যারোস্পেসের তৈরি মাঝারি আকারের বিজনেস জেট। ৯ আসনের এই উড়োজাহাজটি দিল্লির ভিএসআর এভিয়েশনের ছিল।

ডিজিসিএর রেকর্ড অনুযায়ী, ভিএসআর এভিয়েশনের কাছে মোট ১৮টি উড়োজাহাজ ছিল। প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় দিল্লির বসন্ত কুঞ্জ এলাকায় অবস্থিত। তাদের প্রধান কাজ হলো—বেসরকারি জেট ভাড়া দেওয়া ও এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা।

নথিপত্র অনুযায়ী, বিজয় কুমার সিং ও রোহিত সিং ভিএসআর এভিয়েশনের পরিচালক। তাঁরা দুজনেই পেশায় পাইলট।

প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা যায়, তাদের প্রায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এতে ৬০ জনের বেশি পাইলট কাজ করেন।