উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের ধারণ করা ঘটনাস্থলের একটি ভিডিওতে জিতেন্দ্রকে বলতে শোনা যায়, ‘যে ব্যক্তি টিকাদানের এসব সরঞ্জাম সরবরাহ করেছেন, তিনি একটি মাত্র সিরিঞ্জই দিয়েছিলেন।’

জিতেন্দ্রকে জিজ্ঞাসা করা হয়, একবার ব্যবহারযোগ্য সিরিঞ্জ অন্যের শরীরে যে ব্যবহার করা উচিত নয়, সেটা তিনি জানেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি বিষয়টা জানি। এ জন্য আমি তাঁদের (কর্তৃপক্ষ) জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আমাকে কি মাত্র একটি সিরিঞ্জ দিয়েই কাজ চালিয়ে নিতে হবে। জবাবে তাঁরা বলেছিলেন, হ্যাঁ। আমি সেটাই করেছি, আমাকে যা করতে বলা হয়েছে।’

এ ঘটনায় অবহেলা এবং ‘এক সুচ, এক সিরিঞ্জ, একবার’-কেন্দ্রীয় সরকারের এই অঙ্গীকার মারাত্মকভাবে লঙ্ঘন করায় জিতেন্দ্রের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ (এফআইআর) করেছে সাগর জেলা প্রশাসন।
সকালে টিকা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রেরণের দায়িত্বে থাকা জেলা টিকাদান কর্মসূচির কর্মকর্তা চিকিৎসক রাকেশ রোশনের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় তদন্তও শুরু হয়েছে।

সাগর সিটির ‘জৈন পাবলিক হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে’ কোভিড টিকাদান শিবির চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। শিশুদের মাত্র একটি সিরিঞ্জ দিয়ে টিকা দিতে দেখে অভিভাবকেরা আপত্তি জানান।

কালেক্টর ইনচার্জ ক্ষিতিজ সিংগাল তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে প্রধান চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। অবশ্য ওই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন না জিতেন্দ্র। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে তাঁর মুঠোফোনটিও বন্ধ রয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

২০২১ সালের জানুয়ারিতে ভারতে কোভিড-১৯-এর টিকাদান শুরু হয়। এর এক মাস আগে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ‘এক সুচ, এক সিরিঞ্জ, একবার’ নিয়ম কঠোরভাবে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছিলেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউনিসেফের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও একই পরামর্শ দিয়েছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন