মনোহর লাল বলেন, দেশভাগ হওয়া উচিত ছিল না। তবে কংগ্রেসের কয়েকজনের মনে হয় ক্ষমতা দখলের তাড়া ছিল। যদি তাঁরা ক্ষমতা দখলে কিছুটা ছাড় দিতেন, তাহলে হয়তো ৫, ১০ বা ২০ বছর পর দেশভাগ হতো না।

ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চায় উল্লেখ করে বিজেপির এই নেতা বলেন, ‘যদি পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি এক হতে পারে; তাহলে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ কেন এক হতে পারবে না? বেশি সময় আগে কিন্তু এটা হয়নি। আমার মনে হয়, ১৯৯০–৯১ সালের দিকে, মানুষ এগিয়ে এসেছিল এবং বার্লিন ওয়াল ভেঙে ফেলেছিল।’

এ সময় কংগ্রেসের সমালোচনা করে মনোহর লাল খাত্তার বলেন, ‘আদর্শগত দিক দিয়ে কংগ্রেসের লক্ষ্য একটাই—কীভাবে ক্ষমতায় থাকা যায় এবং ক্ষমতায় থাকার জন্য সমাজের বিভিন্ন অংশকে কাজে লাগিয়ে ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তবে বিজেপির লক্ষ্য এটা না। আমাদের যদি শুধু ক্ষমতায় থাকার উদ্দেশ্য থাকত, তাহলে আমরা আমাদের জনগণ, দেশ ও বিশ্বের জন্য কিছুই করতাম না।’

এ সময় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্য দ্রৌপদী মুর্মুর ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে মনোহর লাল বলেন, সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা একটি সম্প্রদায়ের নারী গণতান্ত্রিকভাবে ভারতের রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। এটা শুধু ভারতেই সম্ভব। ভারতে যখন দ্রৌপদী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিচ্ছেন, তখন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে বিশৃঙ্খলা চলছে। একটি দেশের প্রেসিডেন্ট তো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সেখানে কোনো শান্তি নেই। ভারত শান্তি চায়।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন