মসজিদ রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন কমিটি ওই আবেদনের বিরোধিতা করেছিল। তাদের যুক্তি, ১৯৯১ সালের উপাসনাস্থল আইন অনুযায়ী ওই মামলা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

দুই পক্ষের শুনানি শেষে গত ২৭ অক্টোবর বিচারক মহেন্দ্র কুমার পান্ডে রায় স্থগিত রেখেছিলেন।

বারানসি জেলা আদালতে যে মামলাটি বিচারাধীন, এই মামলার সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই। এটি এক ভিন্ন মামলা। বারানসি জেলা আদালতের মামলায় শিবলিঙ্গের বয়স জানতে কার্বন ডেটিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন হিন্দু আবেদনকারীরা।

মসজিদ কমিটির দাবি, হিন্দুরা যাকে শিবলিঙ্গ বলছেন, সেটি একটি ফোয়ারা।

বারানসির কাশী বিশ্বনাথ মন্দির লাগোয়া জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে বিতর্ক কয়েক দশক ধরে অব্যাহত। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংস হওয়া ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর কাশী ও মথুরার ধর্মস্থান নিয়ে হিন্দু-মুসলমানদের বিবাদ বেড়ে গেছে। শুরু হয়েছে একাধিক মামলা।