গত এক সপ্তাহ ধরে রান্নার গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, প্যাকেটজাত মুড়ি, আটা, ময়দা, পনির ইত্যাদির ওপর নতুন করে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) বসানোর প্রতিবাদে বিরোধী সদস্যরা বিক্ষোভ করছিলেন এবং অবিলম্বে আলোচনার দাবি জানাচ্ছিলেন। তাঁরা সংসদের কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ও বিবৃতির দাবি জানাচ্ছিলেন। প্ল্যাকার্ড ও পোস্টার নিয়ে লোকসভার কাজকর্মে তাঁরা বাধা দিচ্ছিলেন। প্রথম সপ্তাহের প্রতিদিনই এ জন্য সভা মুলতবি করে দেওয়া হয়। গতকাল সোমবার নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ শেষ হলে স্পিকার এভাবে বিক্ষোভ দেখানো বরদাশত না করে চার কংগ্রেস সদস্যকে পুরো অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করেন। তিনি বলেন, বেলা তিনটায় আলোচনার অনুমতি দেওয়া হবে। কিন্তু সে সময়ও বিক্ষোভ চলায় স্পিকার ওম বিড়লা বাধ্য হয়ে ওই ব্যবস্থা নেন। সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, ‘প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে হলে সভার বাইরে যান। ভাববেন না আমি দুর্বল।’

কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ বলেন, ‘গত এক সপ্তাহ ধরে আমরা এসব নিয়ে আলোচনা চাইছি। সরকার গা করছে না। প্রতিদিনই আমরা আলোচনার জন্য মুলতবি প্রস্তাব জমা দিচ্ছি। স্পিকার তা অগ্রাহ্য করছেন।’

সংসদের গত অধিবেশনেও ওই একই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল। মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন জরুরি বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধী সদস্যদের আনা কোনো মুলতবি প্রস্তাবই সরকার গ্রাহ্য করেনি। প্রধানমন্ত্রীও বিবৃতি দেননি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন