এস ভি রাজু আদালতকে বলেন, ‘অপা ইউটিলিটি সার্ভিসেস’ নামে গড়া একটি কোম্পানি ধরা পড়েছে তাঁদের অনুসন্ধানে। এই কোম্পানির ৫০ শতাংশ করে মালিকানা অর্পিতা ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নামে। কোম্পানির আওতায় পার্থ ও অর্পিতার নামে চারটি যৌথ আবাসন আছে। এর বাইরে আরও পাঁচটি আবাসন রয়েছে শুধু অর্পিতার নামে।

আদালতে ইডির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এই কোম্পানির নামে স্কুলশিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির অর্থ সরানো হয়। যদিও এ দাবির বিরোধিতা করেন পার্থ ও অর্পিতার আইনজীবীরা। এ সময় পার্থর আইনজীবীরা তাঁর জামিনের আবেদন করেন। তবে অর্পিতার আইনজীবীরা অর্পিতার জামিনের আবেদন করেননি। পরে আদালত পার্থর জামিনের প্রার্থনা খারিজ করে দুজনকেই শুক্রবার পর্যন্ত ইডির হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় তদন্তের ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা করছেন না বলে অভিযোগ করেন এস ভি রাজু। তবে অর্পিতা ইডিকে সহযোগিতা করছেন বলে জানান তিনি।

এস ভি রাজু আদালতে আরজি জানিয়ে বলেন, পার্থ ও অর্পিতার কাছ থেকে কিছু তথ্য জানার জন্য আরও জেরা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে তাঁদের আরও কত সম্পত্তি রয়েছে, টাকার উৎস কী, উদ্ধার করা গয়নার উৎস কী, কার হাত দিয়ে আরও কোথায় কোথায় টাকা গেছে, কীভাবে সরানো হয়েছে এই অর্থ।

পরে পার্থ ও অর্পিতার আইনজীবীরা মক্কেলদের সঙ্গে সলাপরামর্শ করার জন্য সপ্তাহের এক দিন অন্তত ২০ মিনিট করে কথা বলার সময় চান বিচারকের কাছে। তাঁদের এ দাবিতে মৌন সমর্থন করেন ইডির আইনজীবীরা। তাঁরা বলেন, ১০ মিনিট করে সময় দিলে তাঁদের আপত্তি থাকবে না। এরপর বিচারক পার্থ ও অর্পিতার আইনজীবীকে সপ্তাহের একটি দিনে ১০ মিনিট সময় দেওয়ার নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন:
বান্ধবীর নাম দিয়ে বাড়ির নাম রেখেছিলেন মন্ত্রী পার্থ
পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী পার্থের ঘনিষ্ঠ কে এই অর্পিতা
পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দিলেন মমতা

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন