পুলিশ জানায়, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ও বিজনেস কার্ড দেখিয়ে গত বছরের ১ আগস্ট দিল্লির লিলা প্যালেস হোটেলে উঠেছিলেন মোহাম্মদ শরিফ। প্রায় সাড়ে তিন মাস সেখানে থাকার পর ২০ নভেম্বর হোটেল ত্যাগ করেন তিনি। কিন্তু যাওয়ার সময় হোটেলের যাবতীয় বিল ঠিকমতো পরিশোধ না করে উল্টো হোটেলের মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় গত ১৪ জানুয়ারি দিল্লির সরোজিনী নগর পুলিশ স্টেশনে একটি মামলা করেন হোটেলের মহাব্যবস্থাপক অনুপম দাশগুপ্ত। তাঁর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। কয়েক মাসের তদন্ত শেষে অভিযুক্ত শরিফের অবস্থান শনাক্ত করে তারা। গত ১৯ জানুয়ারি কর্ণাটক থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিচারের জন্য শরিফকে আদালতে তোলা হয়।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, হোটেলে ওঠার সময় মোহাম্মদ শরিফ নিজেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজপরিবারের সদস্য শেখ ফালাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের অফিসের কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেন। এ সময় একটি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে তিন মাস হোটেলে অবস্থান করে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে চলে যান। এ সময় ২০ লাখ রুপির একটি চেক দিয়ে বিল পরিশোধ করেন শরিফ। কিন্তু চেক দিয়ে টাকা তুলতে গিয়ে বিপত্তিতে পড়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ। কারণ, পর্যাপ্ত টাকা না থাকার চেকটি বাউন্স করে। তখনই হোটেল কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে বিল দিতে গিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন শরিফ। এরপর পুলিশের শরণাপন্ন হয় তারা।