বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মহলানবিশের প্রচেষ্টায় বিশ্বব্যাপী ওরাল রিহাইড্রেশন সিস্টেমের (ওআরএস) ব্যাপক ব্যবহার হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী পাঁচ কোটিরও বেশি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে বলে ধারণা করা হয়।’

এতে আরও বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় মহলানবিশ বাংলাদেশি শরণার্থীদের পাশে দাঁড়াতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে আসেন এবং ওআরএসের কার্যকারিতা দেখিয়ে অসংখ্য মানুষের জীবন বাঁচান।

মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বনগাঁ সীমান্তে কলেরায় আক্রান্ত হাজারো মানুষকে বাঁচানোর নেপথ্যে মূল ভূমিকা ছিল দিলীপ মহলানবিশের। বস্তুত তাঁর উপস্থিত বুদ্ধিতেই ধমনীতে দেওয়ার বদলে পানিতে গুলিয়ে স্যালাইন খাওয়ানো শুরু হয়। অথচ তখন পর্যন্ত ওআরএস প্রয়োগের স্বীকৃতি ছিল না।

বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে জন্ম নেওয়া এই চিকিৎসাবিজ্ঞানী গত বছরের অক্টোবরে কলকাতার একটি হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।