নরেন্দ্র মোদি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ফাইল ছবি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ শুক্রবার চার ঘন্টার জন্য কলকাতায় আসছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর একান্ত বৈঠক হয় কিনা তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে ভারতের প্রচার মাধ্যমে।

শহরে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রথমে একটি নতুন ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। ‘বন্দে ভারত ‘নামে একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের মধ্যে চলতে শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গে সেই প্রকল্পের প্রথম ট্রেন আজ চালু হবে। হাওড়া স্টেশন এবং উত্তরবঙ্গের নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের মধ্যে চলা এই ট্রেন যাতায়াতের সময় বেশ খানিকটা কমিয়ে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দেখা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে রেলের আরও একাধিক প্রকল্প উদ্বোধন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপরে গঙ্গা দূষণ নিয়ন্ত্রণে যে জাতীয় গঙ্গা পরিষদ আছে তার বৈঠকে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

এখানেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর দেখা হবে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আরও চারটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা। এছাড়াও, বেশকিছু কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ওই বৈঠকে থাকবেন। এরপরে কলকাতায় মধ্যাহ্নভোজ করবেন মোদি।

দিন কয়েক আগে কলকাতায় এসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠকের পরে তাঁকে নিজের দপ্তরে নিয়ে গিয়ে মধ্যাহ্ন ভোজ করিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে মিনিট পনেরো একান্তে কথাও হয়েছিল।

এবারেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীকে আলাদা করে নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে মধ্যাহ্নভোজ করেন কি না তা নিয়ে প্রচারমাধ্যমে চর্চা শুরু হয়েছে। বছর শেষ হওয়ার একদিন আগে প্রধানমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে কি ধরনের আলাপ-আলোচনা হয় এবং তা নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ্যমন্ত্রী কি বলেন তার উপরে সারাদিনই নজর থাকবে প্রচারমাধ্যমের।

একটি রাজনৈতিক গণসমাবেশে ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। নতুন করে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় হাওড়া জেলার ওই সমাবেশ বাতিল করা হয়েছে। মধ্যাহ্নভোজের পরে বিশেষ বিমানে দিল্লি ফিরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী।