বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ওই প্রতিবেদন দেখে অবাক হয়ে যান। প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্যের স্কুলশিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রী থেকে শুরু করে স্কুল সার্ভিস কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা, ও অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা ব্যাপক দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন। অযোগ্য প্রার্থী, এমনকি চাকরির জন্য পরীক্ষা না দিয়েও ঘুষের মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন অনেকে। সাদা খাতা জমা দিয়ে বা একটি-দুটি প্রশ্নের জবাব দিয়েও ঘুষের মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন। আবার নম্বর ফর্দে ঘষামাজা করে অনেককে চাকরি দেওয়া হয়েছে। চাকরি দেওয়া হয়েছে মেধাতালিকা না দেখে টাকার বিনিময়ে।

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ওই প্রতিবেদন দেখে অবাক হয়ে যান। প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্যের স্কুলশিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রী থেকে শুরু করে স্কুল সার্ভিস কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা ও অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা ব্যাপক দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে স্কুলের কোন স্তরের নিয়োগে কত দুর্নীতি হয়েছে, তারও তালিকা দিয়েছে সিবিআই। এভাবে শিক্ষক এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মিলিয়ে ৮ হাজার ১৬৩ জন ঘুষ দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ৯ম ও দশম শ্রেণির ৯৫২ জন শিক্ষক, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ৯০৭ জন শিক্ষক এবং গ্রুপ সি-বিভাগে ৩ হাজার ৪৮১ জন এবং গ্রুপ-ডি বিভাগে ২ হাজার ৮২৩ জন কর্মচারী।

বেআইনিভাবে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক ও কর্মচারীরা ৭ নভেম্বরের মধ্যে ইস্তফা দেওয়ার পর শূন্যপদে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে।