রোববার ছিল পার্থ ও অর্পিতার রুটিনমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার দিন। আদালত আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন, প্রতি ৪৮ ঘণ্টা পর পার্থ ও অর্পিতার শারীরিক পরীক্ষা করতে হবে।

সে জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আদালতের নির্দেশে আজ তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় দক্ষিণ কলকাতার জোকার সরকারি ইএসআই হাসপাতালে। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আজ পার্থ বলেন, তাঁর কোনো টাকা নেই।

পার্থ ও অর্পিতা ১০ দিনের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হেফাজতে রয়েছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী হিসেবে পরিচিত মডেল অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের টালিগঞ্জ ও বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৫০ কোটি রুপি উদ্ধার হলেও এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি পার্থ। আজই প্রথম মুখ খুললেন। পার্থ বললেন, ‘এসব অর্থ আমার নয়। সময় এলে সব বুঝতে পারবেন কারা এই ষড়যন্ত্র করেছিল।’

এর আগে গত শুক্রবার পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।’
তবে আজ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-ইডি জানিয়ে দিয়েছে, পার্থ ও অর্পিতার নামে ব্যাংকে রয়েছে ৮ কোটি রুপি।

default-image

পার্থের এই ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র ও রাজ্য সম্পাদক কুনাল ঘোষ বলেছেন, চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্র হলে তো আইনের পথ খোলা আছে। তিনি দোষ না করলেও কেন এত দিন তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার কোনো কথা বলেননি?
বেশ কিছুদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের স্কুলশিক্ষক নিয়োগে এই রাজ্যের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী, পরে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ জমা হচ্ছিল ইডির কাছে। ইডিও তদন্ত শুরু করে পার্থর বিরুদ্ধে। ইডির দল হাজির হয় দক্ষিণ কলকাতার নাকতলার পার্থর বাড়িতে। জেরা চলে টানা ১৯ ঘণ্টা। তারপর ২৩ জুলাই পার্থ গ্রেপ্তার হন ইডির হাতে। পরে পার্থর বান্ধবী অর্পিতার বেলঘরিয়া ও টালিগঞ্জ আবাসন থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৫০ কোটি রুপি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন