গত জুলাইয়ে গ্রেপ্তার হন পার্থ–অর্পিতা। পার্থর বিরুদ্ধে স্কুলশিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে অর্পিতার টালিগঞ্জ ও বেলঘরিয়ার বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ কোটি রুপি নগদ অর্থ ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে ইডি। এ ছাড়া পার্থ ও অর্পিতার নামে রাজ্যে মোট ৪০টি স্থাবর সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। যার মোট মূল্য ৪০ দশমিক ৩৩ কোটি রুপি। অর্পিতা ও পার্থর ৩৫টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাওয়া গেছে ৭ দশমিক ৮৯ কোটি রুপি। সব মিলিয়ে ১০৩ কোটি রুপির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছেন গোয়েন্দারা।

ইডি সূত্রে বলা হয়েছে, পার্থ ও অর্পিতার বিরুদ্ধে ১৭২ পাতার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। ট্রাংকে ভরে বিপুল পরিমাণ ডকুমেন্ট নিয়ে যাওয়া হয়েছে আদালতে। এ দুজনকে গ্রেপ্তারের ৫৮ দিনের মাথায় আজ অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হলো।

এদিকে স্কুলশিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে সোমবার সিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুবীরেশ ভট্টাচার্য। স্কুলশিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য গতকাল রোবার সিবিআই নোটিশ পাঠায় সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বেলা ১১টায় তিনি সিবিআইয়ের কলকাতার দপ্তর নিজাম প্যালেসে হাজির হন। কিন্তু জেরার সময় তিনি যথাযথ উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। আগামীকাল মঙ্গলবার তাঁকে হাজির করা হবে কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ সিবিআইয়ের এজলাসে।

এর আগে রাজ্যের স্কুলশিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (দশম শ্রেণি পর্যন্ত) সাবেক চেয়ারম্যান কল্যাণময় বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। এর আগে এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন শিক্ষা পর্ষদের দুই উপদেষ্টা এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনের সদস্য।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন