পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এ অভিযানকে রাজনৈতিক বিরোধীদের হয়রানি করতে কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের ‘চাল’ বলে অভিহিত করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অর্পিতার বাড়িতে ইডির অভিযান পরিচালনাকারী দল গণনাযন্ত্রের (কাউন্টিং মেশিন) মাধ্যমে রুপির হিসাব করার জন্য ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাহায্য নেন। এ ছাড়া অভিযানের সময় তোলা বাড়ির ছবিতেও দেখা যাচ্ছে, ২০০০ ও ৫০০ রুপির বিপুলসংখ্যক নোট জব্দ হয়েছে।

অর্পিতার বাড়ি থেকে ২০টি মুঠোফোন জব্দ করেছেন ইডির কর্মকর্তারা। এসব মুঠোফোন কী কাজে ব্যবহার করা হতো, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ সি অধিকারী, বিধায়ক (এমএলএ) মানিক ভট্টাচার্য ছাড়াও কয়েকজনের বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি।

রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ‘দেশজুড়ে শহীদ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সমাবেশের এক দিন পরে ইডির এই অভিযান তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের হয়রানি ও ভয় দেখানোর চেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।’

তবে বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রাথমিক, উচ্চপ্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বড় ধরনের দুর্নীতিতে সহায়তা করেছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন