চীন, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান এ সম্মেলনে যোগ দেয়নি। ভারতের সরকারি সূত্রের দাবি, ৭০টির বেশি দেশ ও সন্ত্রাসবিরোধী সংগঠনের প্রায় ৪৫০ প্রতিনিধি দুই দিনের এ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। বাংলাদেশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে সম্মেলনের অবসরে তিনি দেখা করবেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো যেন না ভাবে যে কোথাও যুদ্ধ হচ্ছে না মানে শান্তি বিরাজ করছে। এই ধারণা মারাত্মক ভুল। ছায়া যুদ্ধ সমানভাবে ভয়ংকর ও হিংস্র। যেসব দেশ সন্ত্রাসীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষে মদদ দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আনা দরকার। নাহলে তারা লাগামছাড়া হয়ে যাবে।’ তিনি বলেন, সন্ত্রাসে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সাহায্যকারীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দুনিয়াকে একজোট হতে হবে। এটাই আজকের পৃথিবীর শান্তিকামী মানবসমাজের দাবি।

মোদি বলেন, সন্ত্রাস দমনে দরকার অর্থায়নের উৎস বন্ধ করা। অর্থের জন্য পৃথিবীজুড়ে সংঘবদ্ধ অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এই অপচেষ্টাকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা বিপজ্জনক। সবাইকে সতর্ক করে তিনি বলেন, সন্ত্রাস কোথায় হচ্ছে, সেটা বড় কথা নয়। আক্রমণ যেখানেই ঘটুক, তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। সন্ত্রাস দমনে দ্বিচারিতার কোনো স্থান নেই। কারণ, সন্ত্রাস হলো মানবতা, স্বাধীনতা ও সভ্যতার প্রতি আঘাত।

মোদি বলেন, পৃথিবী সচকিত ও সতর্ক হওয়ার আগেই সন্ত্রাসের কদর্য রূপ ভারত দেখেছে। সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ভারত সাহসের সঙ্গে লড়াই করে চলেছে।