নতুন স্লোগানে মাঠে বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠন

ভারতজুড়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) ও জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) বিরোধী আন্দোলন চলছেই। এই আন্দোলনের ডামাডোলে বেকার সমস্যা, কর্মসংস্থান, দ্রব্যমূল্যের বিষয়গুলো হারিয়ে গেছে। এ অবস্থায় বেকারত্ব ঘোচাতে বে-রোজগারি বিলোপ আইন (বিএএ) ও বে-রোজগার নিবন্ধন আইন (এনআরবি) কার্যকরের দাবি তুলেছে বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠনগুলো। তাদের নতুন স্লোগান ‘সিএএ নয়, চাই বিএএ’, ‘এনআরসি নয়, চাই এনআরবি’।
বামপন্থী ছাত্র-যুবরা কর্মসংস্থান ও দ্রব্যমূল্য হ্রাসের দাবি নিয়ে ১০ জানুয়ারি থেকে দেশজুড়ে ফরম বিতরণ করবে। ফরমে জানতে চাওয়া হবে, কারা কত দিন ধরে বেকার রয়েছেন। কত আয় তাঁদের? কী ধরনের কর্মসংস্থান চান তাঁরা ?
ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত চলবে এই ফরম পূরণের কাজ। এই লক্ষ্য নিয়ে বামপন্থী দল সিপিএমের ছাত্র সংগঠন ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (এসএফআই) এবং যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই ১২ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বসবে অবস্থান ধর্মঘটে। তারা রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখাও করতে চাইবে।
ভারতের অনেক রাজ্য থেকে সিএএ ও এনআরসি বাতিলের দাবি উঠেছে। ভারতের ১১টি রাজ্য ঘোষণা দিয়েছে, তাদের রাজ্যে কার্যকর করতে দেওয়া হবে না এই সিএএ ও এনআরসি।
ডিওয়াইএফআইর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও সাধারণ সম্পাদক সায়নদীপ মিত্র গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সংবিধানকে চ্যালেঞ্জ করে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাস করেছেন। আমরা বলছি, বর্ণমালার “সি” এর আগে রয়েছে “বি”। আমাদের নতুন দাবি, সিএএ বাতিল করে চালু করা হোক বিএএ। সেই সঙ্গে এনআরসি বাতিল করে চালু করা হোক এনআরবি।’
তাঁরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে দিনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন, সেই দিন আর ফিরে আসেনি। কর্মসংস্থান নেই, বেকারত্ব বাড়ছে, বাড়ছে দ্রব্যমূল্য। দেশের জিডিপি তলানিতে ঠেকেছে।