অধিকাংশ পর্যটককে এখনো টিকার পূর্ণ ডোজ নেওয়ার প্রয়োজন হবে। তবে কোয়ারেন্টিনে থাকার দরকার পড়বে না।

নিউজিল্যান্ডের সামুদ্রিক সীমানাও পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে প্রমোদতরি ও বিদেশি ইয়টগুলোও এখন বন্দরে নোঙর করতে পারবে।

ধাপে ধাপে সীমান্ত খুলে দেওয়ার পরিকল্পনার প্রথম ঘোষণাটি আসে ফেব্রুয়ারিতে। এই ঘোষণার অংশ হিসেবে টিকা নেওয়া নাগরিকদের ওই মাসে অস্ট্রেলিয়া থেকে ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়। যাঁরা অন্য কোনো দেশ থেকে আসতে চেয়েছিলেন, তাঁদের মার্চে ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়।

ভিসামুক্ত ভ্রমণ তালিকায় থাকা ৫০টি দেশের পর্যটকদের মে মাসে দেশটিতে স্বাগত জানাতে শুরু করে নিউজিল্যান্ড।

আজ সোমবার অকল্যান্ডে ‘চায়না বিজনেস সামিট’-এ জাসিন্ডা আরডার্ন বলেন, ‘আমাদের জনগণকে নিরাপদ রাখার পাশাপাশি বাকি বিশ্বের সঙ্গে আমরা একটি খুবই সক্রিয় বৈশ্বিক মহামারি মোকাবিলা করে চলেছি। কিন্তু মানুষকে নিরাপদ রাখার মধ্যে তাদের আয় এবং কল্যাণের বিষয়টিও পড়ে।’

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন