মূলত পানির নিচের আজব এ জগৎই পুলটির আকর্ষণের কেন্দ্র। প্রাচীন এক শহরের আদলে সাজানো হয়েছে পুলের তলদেশ। এ শহর ঘুরতে ঘুরতে খেলে নিতে পারবেন বিলিয়ার্ড। রয়েছে ভিডিও গেমসহ নানা খেলাধুলার সুযোগ। মন চাইলে চালিয়ে নেওয়া যাবে সাইকেলও। পুলের নিচে রয়েছে সিনেমা শুটিংয়ের স্টুডিও। এডিটিংয়ের জন্য পাশেই রয়েছে এডিটিং রুম। আর বাড়তি হিসেবে থাকছে মনমাতানো আলো আর সুরের খেলা।

সাঁতার কাটার সময় আরাম-আয়েশে যেন কমতি না পড়ে, সে জন্য খেয়াল রাখা হয়েছে পানির তাপমাত্রার দিকেও। পুলে পানির তাপমাত্রা থাকবে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নতুন ও সার্টিফিকেটধারী—দুই ধরনের সাঁতারুরা পুলটি ঘুরে দেখতে পারবেন। কোনো কিছু যেন বাদ না পড়ে, সে জন্য থাকবে গাইড। আর নিরাপত্তার বিষয়েও কোনো ঘাটতি রাখেনি পুল কর্তৃপক্ষ। সেখানে সব সময় নজরদারিতে থাকবে ৫৬টি ক্যামেরা। জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় থাকছে ১২ জনের স্থান সংকুলান এমন একটি চেম্বার।

পুলটি রয়েছে ঝিনুক আকৃতির ১ হাজার ৫০০ বর্গমিটারের বিশাল এক কমপ্লেক্স ভবনের ভেতরে। এই কমপ্লেক্সে রয়েছে একটি রেস্তোরাঁ। সুইমিংপুলটির গভীরতা ১৯৬ ফুট। এটিতে পানির ধারণক্ষমতা ১ কোটি ৪০ লাখ লিটার। আর আকৃতিতে এটি অলিম্পিকের ছয়টি পুলের সমান। গত ২৭ জুন পুলটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের খাতায় নাম লিখিয়েছে।

সুইমিংপুলটি প্রথম যাঁরা ঘুরে দেখেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দুবাইয়ের যুবরাজ শেখ হামদান বিন মুহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে সাধারণ দর্শনার্থীদের আপাতত এ আশা দমিয়ে রাখতে হবে। কারণ, এখন শুধু আমন্ত্রিত অতিথিরাই ভ্রমণ করতে পারবেন সেখানে। সবার জন্য পুলটি খুলে দেওয়া হবে চলতি বছরের শেষের দিকে।