ইসরায়েলের বিমানবন্দর থেকে ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে একটি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ঘোষণা আসার পর মার্কিন সামরিক বাহিনী ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে তাদের ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে। আজ মঙ্গলবার ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে এমনটি জানানো হয়েছে।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, ‘ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত হওয়ার খবরের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যা স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের পথ তৈরি করবে।’
তবে এসব বিমান কি ইসরায়েলের বাইরে সরিয়ে নেওয়া হবে, নাকি ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর ঘাঁটিতে স্থানান্তর করা হবে, সে বিষয়ে ওই গণমাধ্যমের খবরে কিছু বলা হয়নি। অবশ্য গত রোববার ইসরায়েলের পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেজেভ বিমানগুলো ইসরায়েলি বিমানঘাঁটিতে স্থানান্তরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
রেজেভের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের ৭২টি রিফুয়েলিং বিমান মোতায়েন রয়েছে, যা বিমানবন্দরের পার্কিং এলাকার প্রায় অর্ধেকটা দখল করে আছে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর আগ্রাসন চালানোর পর আঞ্চলিক উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। জবাবে তেহরানও পারস্য উপসাগরীয় দেশ ও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনে ইরানে তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
পরবর্তী সময় পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল ওয়াশিংটন ও তেহরান সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায়। এরপর তারা সংঘাতের অবসান করার লক্ষ্যে একটি রূপরেখা চুক্তি ঘোষণা করে।
১৯ জুন (শুক্রবার) সুইজারল্যান্ডে এই চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।