পুলিশ জানায়, ওই নারীর ভিক্ষা করা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন অনেকেই। তারাই পুলিশকে ওই নারীর ব্যাপারে জানান। পরে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় তিনি বিভিন্ন মসজিদের সামনে ভিক্ষা করেন।

বিলাসবহুল গাড়িতে করে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর সুবিধামতো কোনো একটি জায়গায় গাড়ি পার্ক করে মসজিদের সামনে বসে ভিক্ষা করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তিনি কোটিপতি। তবে অর্থের পরিমাণ জানা যায়নি। এ ঘটনায় ওই নারীর নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে ও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের মতে, ভিক্ষা করা একটি সামাজিক অভিশাপ, যা যেকোনো সমাজের সভ্য ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করে।

দেশটির আইনবিশেষজ্ঞরা জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিক্ষার শাস্তি তিন মাসের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার দিরহাম জরিমানার আইন আছে। দুটি দণ্ডের মধ্যে যেকোনো একটি প্রয়োগ করা হয়। সংগঠিত ভিক্ষাবৃত্তির শাস্তি হলো ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং এক লাখ দিরহাম পর্যন্ত জরিমানা।

পুলিশ বলছে, ভিক্ষুকদের জন্য অনেকের প্রতারণা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁরা মানুষকে ঠকান। এ জন্য রমজান মাসে ভিক্ষাবৃত্তির বিরুদ্ধে একটি বিশেষ দল কাজ করে।

পুলিশ বলছে, ইউএই সরকারে একটি সংস্থা দাতব্যর জন্য কাজ করে। কারও কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে সেখানে নিবন্ধন করতে হয়। নিবন্ধনের পরেই পৌঁছে যায় পণ্য বা প্রয়োজনীয় জিনিস।