রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বক্তব্যে ফয়সাল বিন ফারহান বলেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্টের সৌদি সফরের আগে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীন ও আরব দেশগুলোর মধ্যে একটি শীর্ষ সম্মেলন ‘আয়োজনেরও প্রস্তুতি নিচ্ছে’ সৌদি আরব।

গত এক দশক ক্ষমতায় আছেন সি। গত সপ্তাহে নিজের ক্ষমতা আরও এক মেয়াদের জন্য বাড়িয়ে নিয়েছেন তিনি। করোনাভাইরাস মহামারির শুরুর দিনগুলো থেকে তাঁকে মাত্র একবার চীন ছাড়তে দেখা গেছে। সেপ্টেম্বরে তিনি কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তান সফর করেন।

সির সম্ভাব্য সফরের বিষয়ে এএফপি জানতে চাইলে সৌদি আরবে চীনের দূতাবাসের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, তাদের কাছে এ বিষয়ে দেওয়ার মতো ‘কোনো তথ্য নেই’।

ওয়াশিংটনের অনুরোধ উপেক্ষা করে তেলের উৎপাদন কমানোর বিষয়ে ওপেক প্লাসের সিদ্ধান্তে সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে টানাপোড়েনের সৃষ্টি হয়। ঠিক এমন সময় সির সম্ভাব্য সফরের বিষয়টি সামনে এল।

চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ায় ওয়াংকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, দেশটির সার্বিক কূটনীতিতে অগ্রাধিকার পেয়ে আসছে সৌদি আরব।

সি ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে সৌদি আরব সফর করেন। এক বছর পর মোহাম্মদ বিন সালমানকে দেশটির যুবরাজ ঘোষণা করা হয়। তিনি বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছেন। ২০১৯ সালের শুরুতে চীন সফর করেন সৌদির এই ‘ডি ফ্যাক্টো’ শাসক।