উৎসবে উত্তর আমেরিকার পৌরাণিক প্রাণী ওয়েন্ডিগোর আদলে একটি পোশাক পরে এসেছিলেন আবদুল রহমান। এটি নিজ দেশে তাঁর প্রথম হ্যালোইন উৎসব উদ্‌যাপন। আরব নিউজকে তিনি বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে, এটি বিশাল এক উদ্‌যাপন, এটি আমাদের মনে প্রশান্তি তৈরি করে। এটি হারাম নাকি হালাল, তা আমার জানা নেই। কেবলই আনন্দ লাভের জন্য আমরা এ উৎসব উদ্‌যাপন করছি। আর কিছু নয়।’

খালেদ আল হারবি নামের অপর এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমাদের মনে কী আছে, তার ওপর ভিত্তি করেই কর্ম নির্ধারিত হয়। আমি নিছক মজা করার জন্য এখানে এসেছি।’

আল হারবির সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন। পরিবারের সদস্যদের কেউ পরেছেন রক্তাক্ত চিকিৎসকের পোশাক, আবার কেউ রক্তাক্ত নার্সের পোশাক পরে এসেছিলেন। আল হারবির কোলে ছিল পরিবারের সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য। দুই বছরের শিশুটির পরনে ছিল ডাইনির পোশাক।

আতশবাজির ঝলকানি, শব্দের ঝংকার (সাউন্ড ইফেক্ট) আর ভুতুড়ে সাজসজ্জার মধ্য দিয়ে দুই দিনের ওই উৎসব শেষ হয়।