গাজায় গণহত্যায় সহায়তা: দুই ইসরায়েলি নারীর বিরুদ্ধে ফ্রান্সের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ফরাসি-ইসরায়েলি আইনজীবী নিলি কুফার-নাউরি (বাঁয়ে) ও ‘তসাভ ৯’ সংগঠনের মুখপাত্র র‍্যাচেল তিউতুছবি: এক্স থেকে নেওয়া

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গণহত্যায় সহায়তার অভিযোগে নিলি কুফার-নাউরি ও র‍্যাচেল তিউতু নামের দুই ইসরায়েলি নারীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ফ্রান্সের কর্তৃপক্ষ। কট্টরপন্থী এ দুই নারী ইসরায়েলের পাশাপাশি ফ্রান্সের নাগরিক।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এ দুজনের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে গত সোমবার জানিয়েছে ফরাসি সংবাদপত্র লে মঁদ।

নিলি কুফার-নাউরি পেশায় একজন ফরাসি-ইসরায়েলি আইনজীবী এবং ‘ইসরায়েল ইজ ফরএভার’ নামের একটি সংগঠনের প্রধান। অন্যদিকে র‍্যাচেল তিউতু ‘তসাভ ৯’ নামের একটি সংগঠনের মুখপাত্র। গাজায় ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের সরাসরি ভূমিকা ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

গাজায় ধ্বংসস্তূপের ভেতর দিয়ে হেঁটে চলেছে ফিলিস্তিনি কিশোরেরা। গাজা নগরীর আল-শাতি শরণার্থীশিবিরের পাশে। ৮ নভেম্বর ২০২৫
ছবি: এএফপি

গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুফার-নাউরি। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘বিপদ হলো আমি হয়তো আর কখনোই ফ্রান্সে যেতে পারব না। কারণ, ফরাসি কারাগারে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা আমার নেই।’ তিনি আরও জানান, ‘তসাভ ৯’ সংগঠনের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও ফ্রান্সে তদন্ত চলছে।

বিপদ হলো আমি হয়তো আর কখনোই ফ্রান্সে যেতে পারব না। কারণ, ফরাসি কারাগারে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা আমার নেই।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠন ‘আল-হক’সহ আরও কিছু ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন এ দুই নারীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত। ইসরায়েলি দখলদার কর্তৃপক্ষ এর আগে আল-হককে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

আরও পড়ুন
ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠন ‘আল-হক’সহ আরও কিছু ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন এ দুই নারীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত। ইসরায়েলি দখলদার কর্তৃপক্ষ এর আগে আল-হককে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

উল্লেখ্য, গাজায় সংকটজনক পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তার প্রবেশ বাধাগ্রস্ত করার ঘটনাকে গণহত্যার অন্যতম উপাদান হিসেবে দেখছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

আরও পড়ুন