জাতিগত হত্যা মামলা: আইসিজেতে ইসরায়েলকে সমর্থন করা থেকে পিছু হটল জার্মানি

নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)ফাইল ছবি: এএফপি

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় জাতিগত হত্যা চালানোর অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) চলমান মামলায় ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নেওয়া থেকে সরে দাঁড়িয়েছে জার্মানি।

২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা যখন এ মামলা দায়ের করেছিল, তখন জার্মানি ইসরায়েলকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন সেই অবস্থান থেকে পিছু হটল তারা।

আরও পড়ুন

জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র চলতি সপ্তাহে জানিয়েছেন, দ্য হেগের এই মামলায় বার্লিন ইসরায়েলের পক্ষে হস্তক্ষেপ করবে না। অথচ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতেও জার্মানি ঘোষণা করেছিল যে তারা ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার অভিযোগগুলো ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

দক্ষিণ আফ্রিকা যখন গাজায় হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জেনোসাইড কনভেনশন বা গণহত্যা–বিষয়ক সনদ লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে মামলা করে, তখন পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে বার্লিনই প্রথম ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছিল। সে সময় তারা যুক্তি দিয়েছিল যে গণহত্যার এ অভিযোগের ‘কোনো ভিত্তি নেই’।

জার্মানির এ পদক্ষেপ দেশটির প্রকাশ্য অবস্থানে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা যখন গাজায় হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জেনোসাইড কনভেনশন বা গণহত্যা–বিষয়ক সনদ লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে মামলা করে, তখন পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে বার্লিনই প্রথম ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছিল। সে সময় তারা যুক্তি দিয়েছিল যে গণহত্যার এ অভিযোগের ‘কোনো ভিত্তি নেই’।

নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) সামনে ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বিক্ষোভ। এ আদালতেই চলছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার শুনানি
ফাইল ছবি: রয়টার্স

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, জার্মানির এ সিদ্ধান্তের পেছনে আইসিজেতে তাদের নিজস্ব আইনি জটিলতা জড়িয়ে আছে। নিকারাগুয়ার দায়ের করা আলাদা এক মামলায় বর্তমানে নিজেদের রক্ষা করতে হচ্ছে বার্লিনকে।

নিকারাগুয়ার অভিযোগ, ইসরায়েলকে রাজনৈতিক, সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে জার্মানি আন্তর্জাতিক আইন ও জেনোসাইড কনভেনশন লঙ্ঘন করছে।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন