ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির দাফন কবে ও কোথায়, কী জানা গেল

হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি ধরে আছেন শোকাচ্ছন্ন এক নারী। তেহরান, ১ মার্চ ২০২৬ছবি: রয়টার্স

হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দেশটির পবিত্র শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শহর হচ্ছে খামেনির জন্মস্থান।

ইরানের সংবাদ সংস্থা ফারস গতকাল মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে। তবে খামেনির দাফনের সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। মাশহাদ শহরের ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বাবার সমাধিও রয়েছে।

দাফনের আগে রাজধানী তেহরানে খামেনিকে শেষবিদায় জানাতে ‘বড়সড়’ আয়োজন করা হবে বলে নিজেদের টেলিগ্রামে ঘোষণা দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

তবে তারিখ ও সময়সূচি সম্পর্কে ইরানের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। গত শনিবার এই দুই দেশের হামলায় তেহরানে নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

আরও পড়ুন

গত রোববার ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে আলী খামেনির নিহত হওয়ার খবর জানানো হয়। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আলী খামেনি নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হন। এর আগে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে তিনি ইরানে ইসলামি বিপ্লবে অংশ নিয়েছিলেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার আগে ১৯৮০-এর দশকে ইরাকের সঙ্গে দেশটির রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সময় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

আরও পড়ুন

৩৭ বছরের শাসনজীবনে খামেনি খুব সম্ভবত এ বছরের জানুয়ারিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিলেন। ডলারের বিপরীতে ইরানের মুদ্রা ইরানি রিয়ালের ব্যাপক দরপতন ঘিরে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে ব্যবসায়ী ও দোকানদারেরা বিক্ষোভ শুরু করেছিলেন। সেখান থেকে পুরো দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতনের ডাক দেন।

আরও পড়ুন