ইরান নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বক্তব্য যেভাবে বারবার বদলাচ্ছে
গত গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানে হামলার নির্দেশ দেন, তখন তিনি ও তাঁর প্রশাসন বারবার দাবি করেছিল যে ওই হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা বহু বছরের জন্য পিছিয়ে গেছে।
তবে গত শনিবার ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলার ঠিক আগে ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের সদস্যরা ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে আরও জরুরি ও তীব্র সতর্কবার্তা দিতে শুরু করেন। ইরান নিয়ে দেওয়া পরিবর্তনশীল এবং অনেক সময় প্রকাশ্যেই পরস্পরবিরোধী বার্তার এটি ছিল অন্যতম একটি উদাহরণ।
উদাহরণস্বরূপ, জানুয়ারিতে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর ট্রাম্প বারবার সামরিক হামলার হুমকি দেন। পরে অবশ্য তিনি সে অবস্থান থেকে সরে আসেন। তিনি জানান, তাঁকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে তেহরান বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ করেছে এবং পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ডগুলো কার্যকর করেনি। অথচ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিক্ষোভ দমনের অভিযানে নিহত মানুষের সংখ্যা ৭ হাজার ছাড়িয়েছিল।
একই সময়ে, আগের রক্ষণশীল প্রশাসনগুলোর ‘শাসনগোষ্ঠীর পতন’ মিশনের ধারণাকে বহু বছর ধরে উপহাস ও নির্বাচনী প্রচারে প্রকাশ্যে বিরোধিতা করার পর, ট্রাম্প যেন মত পরিবর্তন করলেন এবং সেই ধারণার প্রতিই ধীরে ধীরে আগ্রহী হয়ে উঠলেন।
ইরানে শনিবারের হামলার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও অন্য কর্মকর্তারা ইরানে নতুন হামলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নানা কারণ দেখিয়েছেন, যার মধ্যে কিছু কারণ গত আট মাসে তাঁদের দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
গত গ্রীষ্মের হামলার পর
‘ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে!’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৪ জুন ২০২৫, তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে।
‘আমরা যা দেখেছি—আর আমি তো সবই দেখেছি—তার ভিত্তিতে বলা যায়, আমাদের বোমা হামলা ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে।’
—যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ২৫ জুন ২০২৫, সিএনএনকে।
‘সুনির্দিষ্ট ওই হামলাগুলো লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে এবং ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস করেছে, যার ফলে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে।’
—হোয়াইট হাউস, ২৫ জুন ২০২৫, এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
‘এটি একটি মিথ্যা খবর এবং এটি সত্যিই পুনরায় প্রচার করা উচিত নয়।’
—যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ২৫ জুন ২০২৫, পলিটিকোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে। তিনি সেই প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ টানছিলেন যেখানে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি মাত্র কয়েক মাসের জন্য পিছিয়েছে।
‘তারা ২৫ বছর ধরে চেষ্টা করছে। একদম শেষে তারা যেটা করতে পারে, সেটা হচ্ছে পারমাণবিক (অস্ত্র)। তাদের আমাদের আঘাত করতেই হতো। তারা পারমাণবিক বোমা হাতে পাওয়ার খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিল। নিশ্চিতভাবেই।’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ৩০ জুন ২০২৫, ফক্স নিউজকে।
‘ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনাই সম্পূর্ণ ধ্বংস বা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এগুলো আবার চালু করতে বহু বছর লাগবে। আর ইরান যদি তা-ই করতে চায়ও, তবে তাদের জন্য তিনটি ভিন্ন স্থানে নতুন করে শুরু করা অনেক বেশি ভালো হবে। কারণ, তারা যদি তেমনটি করার সিদ্ধান্ত নেয়, তার আগেই ওই স্থানগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হবে।’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ১৯ জুলাই ২০২৫, তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে।
‘তারা পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগের প্রতিটি সুযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আমরা এটা আর মেনে নিতে পারি না।’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৪ ফেব্রুয়ারি, স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে।
‘তাদের বলতে হবে, আমরা পারমাণবিক অস্ত্র বানাব না। কিন্তু তারা ঠিক সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারছে না।’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, টেক্সাস সফরের সময় সাংবাদিকদের (ইরানের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে)।
ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন প্রসঙ্গে
‘রাজনৈতিকভাবে “রেজিম চেঞ্জ (শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন)” শব্দটি ব্যবহার করা ঠিক নয়, কিন্তু বর্তমান ইরানি সরকার যদি “ইরানকে আবার মহান” (মেক ইরান গ্রেট এগেইন) করতে ব্যর্থ হয়, তবে সরকার পরিবর্তন হবে না কেন? এমআইজিএ (মিগা)!!!’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২২ জুন ২০২৫, তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে।
‘আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি খুবই স্পষ্ট যে আমরা সরকার পরিবর্তন চাই না। আমরা এটিকে আর দীর্ঘায়িত করতে চাই না বা বর্তমানে এটি যতটা বিস্তার লাভ করেছে, তার চেয়ে বেশি বাড়াতে চাই না। আমরা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করতে চাই এবং এরপর দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্তের জন্য তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাই। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দুটি পথ খোলা আছে। একটি পথ—যেখানে ইরান সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন অব্যাহত রাখবে, পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা করবে। এটি হবে ইরানের জন্য একটি “ভুল পথ” এবং এর জবাব দেওয়া হবে প্রচণ্ড শক্তির মাধ্যমে।’
—যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ২২ জুন ২০২৫, এনবিসি নিউজকে।
‘আমি তাঁকে খুবই জঘন্য ও অপমানজনক মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলাম, অথচ তিনি “ধন্যবাদ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প!” পর্যন্ত বলেননি।’
—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৭ জুন ২০২৫, তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, জুনের হামলার সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কোথায় লুকিয়ে ছিলেন, তা তিনি জানতেন। গত শনিবারের হামলায় খামেনি নিহত হন।
‘মনে হচ্ছে, সেটাই (শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন) সবচেয়ে ভালো ঘটনা হতে পারে। ৪৭ বছর ধরে তারা শুধু কথাই বলে যাচ্ছে। আর এই কথার ফাঁকে আমরা অনেক প্রাণ হারিয়েছি। কারও পা উড়ে গেছে, কারও হাত, কারওবা মুখমণ্ডল।’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ১৩ ফেব্রুয়ারি, সাংবাদিকদের বলেন। যখন ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়।
‘হতে পারে, আবার না–ও হতে পারে।’
—গত শুক্রবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ডোনাল্ড ট্রাম্প (সামরিক পদক্ষেপ ইরানের শাসকগোষ্ঠীর পতন ঘটাবে কি না, এমন প্রশ্নে)। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি এটা ছাড়াই করতে পারতাম, তবে ভালো হতো, কিন্তু কখনো কখনো আপনাকে এটা করতেই হয়।’
‘তিনি আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এবং অত্যন্ত উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেম এড়াতে পারেননি এবং ইসরায়েলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার ফলে তাঁর বা তাঁর সঙ্গে নিহত অন্যান্য নেতার করার মতো কিছুই ছিল না। ইরানি জনগণের জন্য তাদের দেশ পুনরুদ্ধার করার এটিই একমাত্র সর্বশ্রেষ্ঠ সুযোগ।’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৮ ফেব্রুয়ারি, তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে (আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা ও ইরানের শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে)।
‘আমাদের লক্ষ্য হলো আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করা এবং ইরানি শাসকগোষ্ঠীর আসন্ন হুমকি নির্মূল করা, যারা অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও ভয়ংকর একদল মানুষ।’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ভিডিও বার্তায়।
‘আমি সব ইরানি দেশপ্রেমী যারা স্বাধীনতার জন্য আকুল, তাদের আহ্বান জানাই, এই মুহূর্তটি কাজে লাগান। সাহসী হোন, নির্ভীক হোন, বীরত্বপূর্ণ হোন এবং আপনাদের দেশ পুনরুদ্ধার করুন।’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, গত রোববারের (১ মার্চ) ভিডিও বার্তায় (ইরানের আধা সামরিক বাহিনী রেভোল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) এবং মিলিটারি পুলিশের সদস্যদের অস্ত্র ত্যাগের আহ্বান জানিয়ে)।
‘এটি তথাকথিত শাসকগোষ্ঠী পরিবর্তনের যুদ্ধ নয়, তবে শাসনব্যবস্থা নিশ্চিতভাবেই বদলে গেছে।’
—যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ২ মার্চ, পেন্টাগন ব্রিফিংয়ে।
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি প্রসঙ্গে
‘ইরানের কাছে বিপুলসংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, বিশেষ করে স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, যা যুক্তরাষ্ট্র, এই অঞ্চলে আমাদের ঘাঁটি, আমাদের অংশীদার এবং আরব আমিরাত, কাতার ও বাহরাইনে আমাদের সব ঘাঁটির জন্য হুমকি।’
—যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ২৫ ফেব্রুয়ারি (সাংবাদিকদের বলেন)।
‘ওই শাসকগোষ্ঠীর কাছে ইতিমধ্যে ইউরোপ এবং আমাদের (দেশি ও বিদেশি) ঘাঁটিতে আঘাত হানার মতো ক্ষেপণাস্ত্র ছিল এবং শিগগিরই তারা এমন ক্ষেপণাস্ত্র পেয়ে যেত, যা আমাদের সুন্দর আমেরিকাতেও পৌঁছাতে পারত।’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২ মার্চ, হোয়াইট হাউসে মেডেল অব অনার অনুষ্ঠানে।
‘ইরান তাদের পারমাণবিক ব্ল্যাকমেল উচ্চাকাঙ্ক্ষা রক্ষায় ঢাল হিসেবে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরি করছিল।’
—যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, সোমবারের (২ মার্চ) পেন্টাগন ব্রিফিংয়ে।
বিক্ষোভকারীদের জীবন রক্ষা প্রসঙ্গে
‘যদি ইরান শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের গুলি করে ও নৃশংসভাবে হত্যা করে, যা তাদের অভ্যাস, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের রক্ষায় এগিয়ে আসবে। আমরা অস্ত্র উঁচিয়ে প্রস্তুত।’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২ জানুয়ারি, তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে।
‘ইরান এখন স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে আছে, হয়তো যা আগে কখনো দেখা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করতে প্রস্তুত!!!’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ১০ জানুয়ারি, তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে।
‘ইরানি দেশপ্রেমীরা, আন্দোলন চালিয়ে যান, নিজেদের প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিন!!! খুনি ও নির্যাতনকারীদের নাম সংরক্ষণ করুন। তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে। বিক্ষোভকারীদের নির্বিচার হত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি। সাহায্য আসছে। এমআইজিএ (মেক ইরান গ্রেট এগেইন)!!!’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ১৩ জানুয়ারি, তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে।
‘আমাদের বলা হয়েছে ইরানে হত্যাকাণ্ড থামছে—থেমে গেছে বা থামছে। এবং মৃত্যুদণ্ডের কোনো পরিকল্পনা নেই, আমি নির্ভরযোগ্য সূত্রে এমনটাই জেনেছি।’
—ডোনাল্ড ট্রাম্প, ১৪ জানুয়ারি, হোয়াইট হাউসে।
‘গতকাল ৮০০ জনের ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল। তারা কাউকে ফাঁসি দেয়নি। তারা ফাঁসি বাতিল করেছে। এর বড় প্রভাব পড়েছে।’
—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ১৬ জানুয়ারি, হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের।
‘আঘাত হানার এটাই ছিল আমাদের শেষ ও সেরা সুযোগ—আমরা যা এখন করছি—এবং এই অসুস্থ ও অশুভ শাসকগোষ্ঠীর অসহনীয় হুমকি দূর করার। আর তারা আসলেই অসুস্থ ও অশুভ।’
—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবারের (২ মার্চ) মেডেল অব অনার অনুষ্ঠানে ভিন্ন সুরে কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, ‘এই লোকদের সঙ্গে আলোচনা করা যায় না। তোমাকে সঠিক পথেই কাজটা করতে হয়েছে।’