কঠোর পোশাকবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার কুর্দি তরুণী মাসা আমিনি ইরানের নীতি পুলিশের হেফাজতে মারা যান। এই মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলছে ইরানের বিভিন্ন এলাকায়। শুধু ইরান নয় যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ হয়েছে।
অ্যামনেস্টি গতকাল বৃহস্পতিবার বলেছে, গতকাল রাত থেকে আজ পর্যন্ত ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী আটজনকে হত্যা করেছে। বিক্ষোভকারী ও মাসা আমিনির কবরস্থানে সমবেত মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী।

বিবিসির খবরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, দেশটির পশ্চিমের শহর মাহাবাদে ইরানের নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তিনজন বিক্ষোভকারী নিহত হন। বিক্ষোভে নিহত এক ব্যক্তির স্মরণে শোকসভায় অংশ নিয়ে বিক্ষোভকারীরা সরকারি ভবনগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছেন।

নিরাপত্তাবাহিনী খোরামাবাদের কাছে একটি কবরস্থানে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছেন। মাহাবাদের কর্মকর্তারা বলছেন সন্ত্রাসী-বিচ্ছিন্নতাবাদী দল সরকারি ভবনে হামলা চালাতে বিক্ষোভকারীদের উসকানি দিচ্ছে। কর্মকর্তারা আরও বলেছেন বিক্ষোভকারীরা দখলের উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালাচ্ছেন।

কয়েকশ মানুষ পৌর গভর্নরের কার্যালয়ে জড়ো হন। তবে সরকারি গণমাধ্যম বলছে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
গত বুধবার রাতে কয়েক হাজার মানুষ ইরানের বড় শহরগুলোর রাস্তায় অবস্থান নেন। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইরান সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।