গাজার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়া হাসপাতালের পরিচালক সালাহ আবু লায়লা বিবিসিকে বলেছেন, জাবালিয়া নামের ওই শরণার্থী শিবিরে লাগা আগুন নিভেছে। তবে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। নিরাপত্তা বাহিনীর স্থানীয় একজন কর্মকর্তা বলেন, রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন লাগে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শরণার্থী শিবিরে লাগা আগুনকে ‘ব্যাপক’ বলে বর্ণনা করেন আবু লায়লা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও চিত্রেও দেখা যায়, পুরো ভবনে আগুন জ্বলছে।

শরণার্থী শিবিরে আগুন লাগার পরপরই ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় এমন একজন বাসিন্দা বলেন, জেনারেটর চালানোর জন্য ওই ভবনে গ্যাস রাখা ছিল। আরও এক প্রত্যক্ষদর্শী বিবিসিকে বলেছেন, ‘খুবই করুণ এক পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করেছি আমি। শিশু ও নারীদের আগুনে পুড়তে দেখেছি কিন্তু তাঁদের কেউ বাঁচাতে যাচ্ছে না।’

বিবিসি জানাচ্ছে, পশ্চিম তীর থেকে বিচ্ছিন্ন ফিলিস্তিনের গাঁজা উপত্যকায় মোট আটটি শরণার্থী শিবির আছে। এর মধ্যে একটি জাবালিয়া। জাতিসংঘের হিসাবে, গাজার আটটি শরণার্থী শিবিরে প্রায় ৬ লাখ মানুষের বাস। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল এলাকাগুলোর একটি হলো গাজা। সেখানে মোট ২৩ লাখ মানুষের বসতি।

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস গাজায় ওই শরণার্থী শিবিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে জাতীয় শোক বর্ণনা করে শুক্রবার একদিনের শোক ঘোষণা করেছেন।

এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্টজ টুইট করে বলেছেন, তাঁর কর্মীরা দগ্ধ ব্যক্তিদের (ইসরায়েলের) হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে সহায়তা করবে।