দুই নেতার বৈঠকে খাসোগি হত্যার জন্য যুবরাজকে অভিযুক্ত করার জবাবে এসব কথা বলেন মোহাম্মদ বিন সালমান। গতকাল শুক্রবার সৌদি আরবের জেদ্দায় যুবরাজ সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন বাইডেন। এ সময় আল-জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ হত্যা এবং ইরাকে বন্দী আবু ঘারিবের ইস্যুও তোলেন সৌদি যুবরাজ।

গতকালের বৈঠকে ওয়াশিংটন পোস্ট-এর সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার জন্য এমবিএসকে দায়ী করেন জো বাইডেন। জো বাইডেন বলেন, ‘খাসোগির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, আলোচনার শুরুতেই আমি এই ইস্যু সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উত্থাপন করেছি। আমি স্পষ্ট করেছি, হত্যাকাণ্ডের সময় আমি কী ভেবেছি এবং এখন কী ভাবছি।’ তিনি বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের রাখঢাক ছাড়াই বলেছি, মানবাধিকার বিষয়ে একজন আমেরিকান প্রেসিডেন্টের নিশ্চুপ থাকাটা আমরা কে এবং আমি কে তার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আমি সব সময় আমাদের মূল্যবোধের জন্য সোচ্চার থাকব।’

বাইডেন বলেন, ‘যুবরাজ দাবি করেছেন, খাসোগি হত্যাকাণ্ডের জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে দায়ী নন। তবে আমি ইঙ্গিত করেছিলাম, তিনি (যুবরাজ) এ জন্য দায়ী।’

মানবাধিকার পরিস্থিতির জন্য সৌদি আরবকে অতীতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ‘অবাঞ্ছিত’ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সৌদির ভিন্নমতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে ২০১৮ সালের অক্টোবরে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে হত্যা করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন