বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে দেওয়া এক বিবৃতিতে লুকাপা ডায়মন্ড কোম্পানি নামে ওই প্রতিষ্ঠান বলেছে, বিশ্বে গত ৩০০ বছরের মধ্যে কোনো খনিতে পাওয়া বিরল ‘গোলাপি’ রঙের সবচেয়ে বড় হীরকখণ্ড এটি। অ্যাঙ্গোলার খনিতে পাওয়া হীরার টুকরাটির নাম রাখা হয়েছে ‘দ্য লুলো রোজ’। এর ওজন ১৭০ ক্যারেট। দেশটির হীরাসমৃদ্ধ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় লুলো খনিতে এটি পাওয়া গেছে।

টাইপ আইআইএ শ্রেণির (প্রাকৃতিক পাথরগুলোর মধ্যে অন্যতম বিরল ও বিশুদ্ধতম) হীরাটির সন্ধান পাওয়াকে সাড়াজাগানো ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি সন্ধানের জন্য খনির উত্তোলনকাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের অভিনন্দন জানিয়েছে অ্যাঙ্গোলার সরকার। এই খনিতে দেশটির সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে লুকাপা ডায়মন্ড কোম্পানি।

অ্যাঙ্গোলার খনিজ সম্পদবিষয়ক মন্ত্রী দিয়ামান্তিনো আজেভেদো বলেছেন, লুলো খনিতে দর্শনীয় গোলাপি হীরা পাওয়ার বিষয়টি বিশ্বমঞ্চে অ্যাঙ্গোলাকে গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে তুলে ধরছে।

রেকর্ড দামে আন্তর্জাতিক নিলামের মাধ্যমে হীরাটি বিক্রি করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে নিলামে ভালো দাম পেতে হীরাটিকে কেটে পলিশ করতে হবে। এ প্রক্রিয়ার সময় সেটি প্রায় ৫০ শতাংশ ওজন হারাতে পারে।

এ ধরনের গোলাপি হীরা অতীতে রেকর্ড দামে বিক্রি হয়েছে। ২০১৭ সালে হংকংয়ে এক নিলামে ৫৯ দশমিক ৬ ক্যারেটের একটি ‘পিংক স্টার’ হীরা ৭১ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এখন পর্যন্ত এটিই বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া গোলাপি হীরা।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন