ইমরানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব গতকাল রোববার দেশটির জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকার কাসিম খান সুরি নাকচ করে দেন। পরে ইমরানের সুপারিশে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। এর অর্থ, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে দেশটিতে নতুন নির্বাচন হতে হবে। এর মধ্য দিয়ে ইমরান তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ঠেকিয়ে দিলেন। যদিও এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে বিরোধী দলগুলো।

গতকালের এ ঘটনাপ্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে টুইট করে প্রতিক্রিয়া জানান নওয়াজ। তিনি বলেন, ইমরান খান দেশ ও জাতির চেয়ে তাঁর অহংকে (ইগো) বেশি গুরুত্ব দেন। এ ষড়যন্ত্রে জড়িত সবাই গুরুতর রাষ্ট্রদ্রোহের দোষে দোষী।

পাকিস্তানের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নওয়াজ। তিনি দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হন। পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে অযোগ্য ঘোষণা করেন। আদালতের রায়ে তাঁকে দলীয় প্রধানের পদও ছাড়তে হয়। তিনি ২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে লন্ডনে বসবাস করে আসছেন।

নওয়াজের ভাই শাহবাজ শরিফ। তিনি পিএমএল-এনের প্রেসিডেন্ট। গতকাল ভেঙে দেওয়া দেশটির জাতীয় পরিষদের বিরোধী নেতা ছিলেন তিনি।

পাকিস্তানের অমর্যাদা ও সংবিধানের পবিত্রতা নষ্ট করার বিষয়ে জবাবদিহি করা হবে বলে অঙ্গীকার করেন নওয়াজ।

নওয়াজ শরিফের মেয়েও পিএমএল-এনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মরিয়ম নওয়াজও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি এক টুইটার পোস্টে বলেন, নিজের গদি বাঁচাতে কাউকে পাকিস্তানের সংবিধান বিকৃত করতে দেওয়া উচিত নয়।

ইমরান খানকে উদ্দেশ করে মরিয়ম নওয়াজ তাঁর টুইটে আরও বলেন, যদি এই উন্মত্ত ও গোঁড়া ব্যক্তির এ অপরাধের শাস্তি না হয়, তাহলে আজকের (রোববার) পর এই দেশে জংলি আইন চলবে।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন