জাভেদ লতিফ বলেন, নওয়াজের সম্ভাব্য দেশের ফেরা–সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত জোটের শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হবে। সব সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রথমে জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হবে।

দেশের বহু সমস্যার বিষয়ে তিনি বলেন, চলমান এসব সমস্যার একমাত্র সমাধান নতুন নির্বাচন। তবে নির্বাচনের আগে নির্বাচনী সংস্কারগুলো সম্পন্ন করার কাজ রয়েছে। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এবং প্রবাসীদের ভোটার করার বিষয়টি যত দ্রুত সম্ভব সমাধান করতে হবে।

জাভেদ লতিফ আরও বলেন, ইভিএমে বাইরের হস্তক্ষেপের সুযোগ রয়েছে। আবার আরটিএস একই ধরনের; এই পদ্ধতিকেও সহজেই প্রভাবিত করা যায়। প্রবাসী পাকিস্তানিদের জন্য পৃথক আসন থাকতে পারে। তাঁরা তাঁদের নিজস্ব প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেন।

দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা ফারহাতুল্লাহ বাবর বলেন, নতুন নির্বাচনে যেতে জোট সরকারের কমপক্ষে সাত মাস সময় লাগতে পারে। ভোট গ্রহণে প্রস্তুতির জন্য নির্বাচন কমিশন যে সময় চেয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করেই তিনি এই সময়সীমার কথা বলছেন। এই কয়েক মাসের মধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনী সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে, যা তাদের জন্য প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ।

বিরোধী জোটের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হেরে গত শনিবার মধ্যরাতে বিদায় নেয় ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন সরকার। নতুন নির্বাচনের আগে জাতীয় সরকারের আদলে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিরোধী দলগুলো। এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন পিএমএল-এন সভাপতি শাহবাজ শরিফ। নওয়াজের অনুপস্থিতিতে ভাই শাহবাজই পিএমএল-এনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন