অথচ একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন বলে ইমরান খান অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, তিনি কারও বিরুদ্ধে কিংবা কোনো দেশের বিরুদ্ধে নন। তিনি পাকিস্তানের ২২ কোটি মানুষের স্বার্থকে প্রথমে রাখেন এবং পরে দেখেন অন্য দেশগুলো কী বলছে।

ইমরান খানের ভাষণের পর মরিয়াম নওয়াজ টুইটারে লেখেন, ইমরানকে ঘরে পাঠিয়েছে তাঁর দল, অন্য কেউ নন। যদি আপনি ভারতকে এত বেশি ভালোবাসেন, তাহলে কেন সেখানে চলে যাচ্ছেন না? পাকিস্তানকে একা থাকতে দিন। তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ২৭ বার অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মতো তাঁদের কেউই দেশের সংবিধানকে ব্যবহার করেননি। মরিয়াম বলেন, বাজপেয়ী মাত্র এক ভোটে হেরেও ক্ষমতা থেকে সরে গেছেন, আপনার মতো সংবিধান ও গোটা জাতিকে জিম্মি করেননি।

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা বিরোধী দলগুলোর অনাস্থা প্রস্তাব ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়ে ৩ এপ্রিল খারিজ করে দেন জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরি। পরে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেন প্রেসিডেন্ট।

ওই দিনই এ নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত (সুয়োমোটো) শুনানি গ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্ট। টানা পাঁচ দিনের দীর্ঘ শুনানি শেষে গত বৃহস্পতিবার অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ ও জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক ঘোষণা করে সর্বসম্মত রায় দেন প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। জাতীয় পরিষদ পুনর্বহাল করে আজ শনিবার অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটিরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

তথ্যসূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও ডন

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন