বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে বলা হচ্ছে, ‘টিকটকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ চলছিল। এর ফলে তারা পাকিস্তানের বিদ্যমান আইন ও সামাজিক প্রথা অনুযায়ী তাদের প্ল্যাটফর্মে বেআইনি কোনো বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাদের আশ্বাস দিয়েছে।’

পিটিএ জানিয়েছে, কোনো ব্যবহারকারী নিয়মিত ‘বেআইনি বিষয়বস্তু’ আপলোড করলে অ্যাকাউন্ট অচল (ব্লক) করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে টিকটক কর্তৃপক্ষ।

এসব আশ্বাস পাওয়ার পরই কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে টিকটকের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ওই বিবৃতিতে জানিয়েছে পিটিএ। তবে বেআইনি বিষয়বস্তু এবং পাকিস্তানের আইন ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী কোনো বিষয়বস্তুর প্রচার যাতে না হয়, এ জন্য নজরদারি অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে।

২০২০ সালের অক্টোবরে প্রথমবার দেশে টিকটক নিষিদ্ধ করে পাকিস্তান। অশালীন ও অনৈতিক বিষয়বস্তু নিয়ে অভিযোগের কারণে তখন টিকটক নিষিদ্ধ করার কথা জানিয়েছিল পিটিএ। টিকটক ‘অশ্লীলতা ছড়ানো’ অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় এর ১০ দিন পর সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।

চলতি বছরের মার্চে পাকিস্তানে টিকটক বন্ধ করতে সরকারকে নির্দেশ দেন পেশোয়ার হাইকোর্ট। গত এপ্রিলে ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। আবার জুনে সিন্ধু হাইকোর্ট পাকিস্তানে টিকটক বন্ধের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের কয়েক দিনের মাথায় নিষেধাজ্ঞা উঠে পাকিস্তানে আবার টিকটক সচল হয়। গত জুলাইয়ে ‘আপত্তিকর বিষয়বস্তু’ অপসারণ করতে ব্যর্থতার জন্য পাকিস্তানে আবার টিকটককে নিষিদ্ধ করে পিটিএ। শুক্রবার সেই নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হলো।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন