default-image

ধর্ষণকারী ও যৌন অপরাধীদের জন্য কঠোর শাস্তি প্রবর্তনের জন্য পাকিস্তান সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করার পরিকল্পনা করেছে। এ শাস্তির মধ্যে রয়েছে মৃত্যুদণ্ড ও রাসায়নিক খোজাকরণ। দেশটির কেন্দ্রীয় আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম গতকাল মঙ্গলবার এ কথা বলেন। পাকিস্তানের ডন অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পাকিস্তানের আইন মন্ত্রণালয়ের সাংবাদিকদের নাসিম বলেন, এখন পার্লামেন্টের অধিবেশন চলছে না বলে সরকার ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রবর্তন করতে অধ্যাদেশ জারি করবে।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রীর বরাতে দেশটির আইন মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ থেকে ১৫ বছর কারাদণ্ড ও রাসায়নিক পদ্ধতিতে খোজাকরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পাকিস্তানের আইনমন্ত্রী বলেন, ধর্ষণকারীকে সাময়িক বা আজীবনের জন্য খোঁজাকরণ করা হতে পারে। কারও বিরুদ্ধে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি পাওয়া গেলে রাসায়নিক খোজাকরণের আশঙ্কা বেড়ে যাবে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে এ আইন রয়েছে।

ধর্ষণকারীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিষয়টি প্রথম তুলে ধরেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। গত সেপ্টেম্বরে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, যৌন অপরাধ কমাতে ধর্ষণকারীকে জনসমক্ষে ফাঁসিতে দিতে হবে, না হয় রাসায়নিকভাবে খোজা করে দিতে হবে। দেশটিতে রাস্তায় গণধর্ষণের একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবাদের মুখে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্তব্য করুন