বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) থেকে সৈয়দ খুরশীদ শাহ, সৈয়দ নাভিদ কামার, শেরি রহমান, আবদুল কাদির প্যাটেল, শাজিয়া মারি, সৈয়দ মুর্তজা মাহমুদ, সাজিদ হোসেইন তুরি, ইহসান উর রহমান মাজারি ও আবিদ হোসেইন ফেডারেল মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তবে গুঞ্জন থাকলেও পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেননি।

মুত্তাহিদা মজলিস-ই-আমলের আসাদ মাহমুদ, আবদুল ওয়াসাই ও আবদুল শাকুর, জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলামের সিনেটর মুহাম্মদ তালহা মাহমুদ, মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তানের আমিনুল হক ও ফয়সাল সাবজাওয়ারি, বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির মুহাম্মদ ইসরার তারিন, জমহুরি ওয়াতান পার্টির নবাবজাদা শাজেইন বুগতি এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগ-কায়েদের তারিক বশির চিমা ফেডারেল মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

একই সঙ্গে পিএমএল-এন’এর আইশা গাউস পাশা ও আবদুল রহমান খান কাঞ্জু এবং পিপিপির হিনা রব্বানি খার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

এ ছাড়া পিপিপির কামার জামান কায়রা, পিএমএল-এন এর আমির মুকাম এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ছেড়ে আসা জাহাঙ্গীর তারিন গ্রুপের আউন চৌধুরীকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল এই শপথ অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি আইনপ্রণেতাদের শপথ গ্রহণ করাতে অপারগতা জানান। ফলে আজ স্থানীয় সময় বেলা ১১টা পর্যন্ত শপথ অনুষ্ঠান স্থগিত করতে বাধ্য হয় সরকার।

সূত্রগুলোর তথ্য মতে, অসুস্থতার কথা বলে আজ প্রেসিডেন্টের ছুটিতে যাওয়ার কথা, যাতে সিনেটের চেয়ারম্যান শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকেও শপথ পাঠ না করাতে একই অজুহাতে দাঁড় করিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট। পরে সিনেট চেয়ারম্যান তাঁকে শপথ পাঠ করান।

বিরোধী জোটের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হেরে ৯ এপ্রিল ক্ষমতাচ্যুত হয় ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পিটিআই সরকার। এরপর ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বিরোধীদলীয় নেতা ও পিএমএল-এন সভাপতি শাহবাজ শরিফ। আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন