বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দাসু হাইড্রোপাওয়ার প্ল্যান্ট চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের (সিপিইসি) একটি প্রকল্প। দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে সড়ক, রেলপথ ও পাইপলাইন বসানোর প্রকল্পে ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে বেশ কয়েক বছর ধরে চীনের অনেক প্রকৌশলী ও পাকিস্তানি শ্রমিকেরা কাজ করছেন।

পাকিস্তান কারিগরি ত্রুটি থেকে বিস্ফোরণের কথা বললেও চীন একে পরিকল্পিত বোমা হামলা বলেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে পাকিস্তান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

পাকিস্তানে চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতেরও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ঝাও লিজিয়ান বলেছেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব ঘটনার তদন্ত করে সত্য উদঘাটন, দুর্বৃত্তদের ধরে কঠিন শাস্তি প্রদান এবং চীনা নাগরিক, প্রতিষ্ঠান ও পাকিস্তানে চলমান প্রকল্পগুলোর কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানকে আহ্বান জানানো হয়েছে।’

পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন জানায়, ৩০ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি বারসিন ক্যাম্প থেকে হাইড্রোপাওয়ার প্ল্যান্টটিতে যাচ্ছিল। তাতে বিদেশি প্রকৌশলী, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও প্ল্যান্টের শ্রমিকেরা ছিলেন।

একাধিক গণমাধ্যমের সংবাদে একে হামলা হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। তবে স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। কোনো বিস্ফোরক রাস্তায় পোঁতা ছিল, নাকি গাড়িতে লাগানো ছিল তা স্পষ্ট নয়।

পাখতুনখাওয়া প্রদেশের শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা মোয়াজ্জাম জাহ আনসারি বলেছেন, ঘটনাটি নাশকতা বলে মনে হচ্ছে।

তিনটি সংবাদ সংস্থা বলছে, কমপক্ষে তিনজন পুলিশ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন বাসটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছিল।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর একজন পরামর্শক এ ঘটনাকে কাপুরুষোচিত হামলা বলে উল্লেখ করেন। তবে পরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, গ্যাস লিক হয়ে কারিগরি ত্রুটির কারণে বাসটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। এটি রাস্তা থেকে ছিটকে যায়।

এর আগে গত এপ্রিলেও চীনের বিনিয়োগ করা প্রকল্পে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় পাকিস্তানের তালেবান বেলুচিস্তান প্রদেশের একটি বিলাসবহুল হোটেলে আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করে। ওই হোটেল থাকা চীনের রাষ্ট্রদূত হামলা থেকে বেঁচে যান।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন