বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আটকা পড়া লোকজনের অনেককেই উদ্ধার করে মারি শহরের নিরাপদ স্থানে রাখা রয়েছে। তারা সেখানে নিরাপদে আছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানালেও এলাকায় গ্যাস ও পানির মজুত কমে এসেছে। স্থানীয় লোকজন ও রেস্তোরাঁগুলো তাদের আশ্রয়, খাবার ও কম্বল দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে।

বিপর্যয়ের দিনে মাত্র কয়েক ঘণ্টার তুষারঝড়ে চার থেকে পাঁচ ফুট তুষার জমে যায় বলে উল্লেখ করেছেন পার্শ্ববতী নাথিয়াগালি শহরের কর্মকর্তা তারিক উল্লাহ। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সেখানে ঝোড়ো বাতাস, তুষারপাত হচ্ছিল। গাছপালা ভেঙে যায়। এতে সেখানে থাকা লোকজন ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিও চিত্রে একই রকম দৃশ্য দেখা গেছে। সেখানে দেখা যায়, আটকে পড়া গাড়িগুলোর চারপাশ তুষারে ঢেকে গেছে। ছাদেও তুষার জমাট বেঁধে আছে।

সতর্কতা সত্ত্বেও পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়, মারি শহরে তুষারপাতের বিষয়ে আগেই সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। এরপরও যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয় দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ), রাওয়ালপিন্ডি জেলা প্রশাসনসহ সরকারি নানা বিভাগ।

৫ জানুয়ারি পাকিস্তানের আবহাওয়া অফিস জানায়, ৬ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারী তুষারপাতে মারি, গালিয়াত, নাথিয়াগালি, কাঘান, নারান ও আশপাশের এলাকাগুলোতে সড়ক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। পূর্বাভাসে এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়।

আবহাওয়া অফিসের হিসাব বলছে, ৫ জানুয়ারি মারি শহরে ৬ দশমিক ৫ ইঞ্চি তুষারপাত রেকর্ড করা হয়। পরদিন তুষারপাত হয় ৮ দশমিক ৫ ইঞ্চি। এরপর ৭ জানুয়ারি থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৫ ইঞ্চি তুষারপাত হয়েছে। তবে এ ধরনের তুষারপাত মারিতে স্বাভাবিক বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন