পিটিআই চেয়ারম্যান বলেন, ‘ইমরান খান তার নিজের দুর্নীতি রক্ষা করতে চায় না, সে নিজের সেনাপ্রধান নিয়োগ দিতে চায় না।’

পছন্দের সেনাপ্রধান নিয়োগ নিয়ে ক্ষমতাসীনদের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কাউকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার চিন্তা আমি কখনো করিনি। যোগ্যতা বিবেচনার বাইরে আমি কখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস ও প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে নিজেদের লোক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ এনে সরকারের কড়া সমালোচনা করেন তিনি।

সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র প্রসঙ্গে ইমরান খান বলেন, কোনো দেশের ভালোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার পরিবর্তন করে না। এটা তারা করে নিজেদের স্বার্থে আমাদের স্বার্থে নয়।

তিনি বলেন, অতীতে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ পাকিস্তানকে ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের বিমান ঘাঁটি ড্রোন হামলার জন্য ব্যবহার করেছিল। এ জন্য ইসলামাবাদকে অনেক মাশুল দিতে হয়েছে।

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের স্বার্থ হলো- আমাদের ভূখণ্ড আফগানিস্তান বা অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয় না। যুক্তরাষ্ট্র চায় আমরা ভারতের দাবি মেনে নিই। দেশটি চায় আমরা কাশ্মীরকে ভুলে যাই এবং ইসরায়েলকে গ্রহণ করি।’

ইমরান খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু পাকিস্তানকে ‘আগ্রাসীভাবে হুমকি দিয়েছিলেন’। একটি সার্বভৌম দেশ কীভাবে এমন হুমকি মেনে নিতে পারে?

গত ৯ এপ্রিল পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হন ইমরান খান। তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র ছিল বলে অভিযোগ তাঁর। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও বর্তমান ক্ষমতাসীন জোট ইমরান খানের এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন