বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে উচ্চতর পড়াশোনা করে আসা হিনা রব্বানি খার পাকিস্তানের রাজনীতিতে আসেন পাকিস্তান মুসলিম লিগের (কায়েদে আজম) মাধ্যমে। তবে কয়েক বছরের মধ্যেই দল পাল্টে তিনি পাকিস্তান পিপলস পার্টিতে (পিপিপি) চলে আসেন। পিপিপি সরকার আমলেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি।

পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে ইমরান খানকে হারিয়ে পাকিস্তানের ক্ষমতায় এসেছেন পাকিস্তান মুসলিম লিগের (নওয়াজ) নেতা শাহবাজ শরিফ। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ছোট ভাই শাহবাজ সপ্তাহখানেক আগে দেশের ২৩তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। আজ মঙ্গলবার তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। ৩১ জন মন্ত্রী ও ৩ জন প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে ৩ জন শপথ নিয়েছেন।

default-image

নতুন মন্ত্রীদের কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা এখনো প্রকাশিত হয়নি। তবে পাকিস্তানি বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে কয়েকজনের মন্ত্রণালয়ের কথা জানানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে শাহবাজ শরিফের দল পিএমএল (এন) নেতা মরিয়ম আওরঙ্গজেব তথ্য এবং আজম নাজির তারার আইনমন্ত্রী হয়েছেন। পিএমএল (এন)–এর আরেক নেতা আহসান ইকবালকে পরিকল্পনা ও উন্নয়নমন্ত্রী করা হয়েছে।

এ ছাড়া পিএমএল-এন নেতা রানা সানাউল্লাহকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মিফতাহ ইসমাইলকে অর্থমন্ত্রী ও আইশা গউস পাশাকে অর্থ প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

অনাস্থা ভোটের আগে ক্ষমতাসীন জোট ছেড়ে বিরোধী শিবিরে গিয়ে ইমরান খানকে ডোবানো মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তানের (এমকিউএম-পি) নেতা আমিনুল হক তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন। ইমরান খানের পিটিআই সরকারেও এই মন্ত্রণালয় সামলেছেন তিনি।

হিনা রব্বানি খারকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী করা হলেও এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে এখনো কারও নাম জানা যায়নি। পিপিপি নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো পরররাষ্ট্রমন্ত্রী হচ্ছেন বলেও খবর বের হলেও আজকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি ছিলেন না।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন