বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিখধর্মাবলম্বীরা বলছেন, মাথা না ঢেকে গুরুদুয়ারার পবিত্রতা নষ্ট করেছেন সুলেহা লালা। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন তিনি। ভারতীয় শিখধর্মাবলম্বী সাংবাদিক রবীন্দর সিং এর সমালোচনায় টুইট করেছেন। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয়ের টুইটার অ্যাকাউন্ট ট্যাগ করেছেন।

দিল্লি শিখ গুরুদুয়ারা ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রেসিডেন্ট মঞ্জিদার সিং সিরসা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘করতারপুর সাহিবে এটা করা অপবিত্রতা।

পাকিস্তানের আদালত মসজিদে নৃত্য করার জন্য এক তারকার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। এ নারীর বিরুদ্ধেও অবশ্যই একই ব্যবস্থা নিতে হবে।’
টুইটারে শিখধর্মাবলম্বী একজন লিখেছেন, ‘গুরুদুয়ারায় কাপড় বিক্রির প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের ফটোশুটের ঘটনায় শুধু আমি নই, গোটা শিখ সম্প্রদায় মর্মাহত।’

ইন্ডিয়া টুডের একজন সম্পাদকও শিখদের এ সমালোচনায় যোগ দিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কারতারপুর সাহিব গুরুদুয়ারা কি পাকিস্তানের কাছে খেলনা? এর মানে কি নিয়ম মেনে চলা? মাথা না ঢেকে পাকিস্তানি মডেল গুরুদুয়ারার দিকে পেছন ফিরেছিলেন?’

অপর একজন লিখেছেন, ‘এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এই ধরনের অনৈতিক চর্চা মেনে নেওয়া হবে না।’

প্রসঙ্গত, লিঙ্গনির্বিশেষে মাথা ঢেকে গুরুদুয়ারায় প্রবেশ করেন শিখধর্মাবলম্বীরা। কিন্তু সুলেহা লালা মাথা না ঢেকেই গুরুদুয়ারার ভেতরে বিভিন্ন স্থানে ফটোশুট করায় ক্ষুব্ধ হন শিখ সম্প্রদায়ের মানুষজন। বিতর্ক শুরু হওয়ার পর অবশ্য অনাকাঙ্ক্ষিত এ কাজের জন্য শিখ সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সুলেহা লালা।

সুলেহা এক পোস্টে লিখেছেন, ‘এটা অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে। যেসব ছবি আমি পোস্ট করেছি, তা মোটেই ফটোশুটের অংশ নয়। আমি করতারপুরে গুরুদুয়ারায় গিয়েছিলাম শিখদের জানতে। অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে কেউ আঘাত পেয়ে থাকলে ক্ষমাপ্রার্থী। আমি শিখ সম্প্রদায়কে ভীষণভাবে সম্মান করি।’

এদিকে এ ঘটনার পর গতকাল মঙ্গলবার ভারতে নিযুক্ত পাকিস্তানের প্রধান কূটনীতিককে ডেকে পাঠিয়েছে দিল্লি। তাঁর কাছে এর ব্যাখ্যা চেয়েছে ভারত সরকার।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন