আজ মঙ্গলবার সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা এক টুইট করে জানায়, লে. জেনারেল সরফরাজ আলীসহ হেলিকপ্টারে থাকা সেনা কর্মকর্তাসহ ছয় সেনার সবাই মারা গেছেন। প্রাথমিক তদন্তে তারা মনে করছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

হেলিকপ্টারটি যখন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়, তখন এটি বেলুচিস্তান প্রদেশের উপকূলীয় জেলা লাসবেলায় ছিল। সেখানে বন্যার্তদের ত্রাণসহায়তা দিতে গিয়েছিলেন এই সেনাসদস্যরা।

পুলিশ সূত্র ডনকে জানায়, হেলিকপ্টারটি যেখানে নিখোঁজ হয়, তা ছিল পাহাড়ি এলাকা। সেখানে জিপ গাড়ি পর্যন্ত যাওয়ার পথ নেই। তাই সেখানে উদ্ধার অভিযান চালানো বেশ কঠিন ছিল। একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, হয় আপনাকে হেঁটে বা মোটরসাইকেলে করে যেতে হবে অথবা ওপর থেকে অনুসন্ধান চালাতে হবে।

সেখানে আরও দুর্ভোগের কারণ হলো মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক দুর্বল ও বিদ্যুৎ নেই। পুলিশ অনুসন্ধান অভিযানে সহায়তা করার জন্য স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের নিযুক্ত করেছে বলে জানা গেছে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে বেলুচিস্তানের বন্যাকবলিত জেলাগুলোয় হেলিকপ্টার নিয়ে নানা সরঞ্জামসহ সেনাসদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন।

এ দুর্ঘটনায় আইএসপিআর শোক প্রকাশ করেছে। প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি সেনাপ্রধানকে ফোন করে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব পালন এবং জাতির সেবায়’ মহান উদ্যম, কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তাঁরা শহীদ হয়েছেন।

টেলিফোন আলাপে জেনারেল বাজওয়া আলভিকে জানিয়েছেন, খারাপ আবহাওয়ার কারণে বাইরের সবকিছু ঝাপসা হয়ে এসেছিল। এ কারণেই হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ টুইট করে বলেন, এ ঘটনায় জাতি গভীর শোকাহত। তিনি বলেন, তাঁরা বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ দেওয়ার একটি পবিত্র দায়িত্ব পালন করছিলেন।’

এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ইমরান খান শোক প্রকাশ করেছেন।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন