ঘটনার পর নিহত ব্যক্তির ১৫ বছর বয়সী মেয়ে পুলিশের হেল্পলাইন ১৫-তে ফোন করে সাহায্য চায়। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মোবিনা টাউন পুলিশ। পরে লাশ উদ্ধার করে জিন্নাহ পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।

ডিস্ট্রিক্ট ইস্ট করাচির জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার আবদুর রহিম সেরাজি জিও নিউজকে বলেন, ওই নারীর স্বামী বাজাউর এজেন্সির বাসিন্দা। তিনি যে স্কুলে নিরাপত্তাপ্রহরীর কাজ করেন, সেটি প্রায় ৮ থেকে ৯ মাস ধরে বন্ধ আছে। ভয়াবহ ঘটনার পর আশিক তাঁর ছয় সন্তানের মধ্যে তিনজনকে নিয়ে পালিয়েছেন। তিন সন্তান পুলিশের হেফাজতে। সেরাজি বলেন, ‘তিন শিশু আমাদের সঙ্গে আছে। তারা কাঁপছে এবং মানসিকভাবে আতঙ্কের মধ্যে আছে।’

এ হত্যার ঘটনায় এখনো প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে জানা যায়, আশিক তাঁর স্ত্রী নার্গিসকে অবৈধ সম্পর্কে জড়ানোর জন্য জোর করছিলেন। স্ত্রী তাতে সায় না দেওয়ায় তাঁকে হত্যা করা হয়।

ইতিমধ্যে এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। পুলিশ কর্মকর্তা আবদুর রহিম সেরাজি বলেন, ‘আমাদের কাছে তাঁর (সন্দেহভাজনের) দুটি মুঠোফোন নম্বর আছে। তবে দুটি নম্বরই বন্ধ করে রেখেছেন। আমরা তাঁর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করছি। শিগগিরই তাঁকে গ্রেপ্তার করব।’

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন