ইমরানের এমন অভিযোগের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে আনজুম বলেন, সেনাবাহিনী ও এর প্রধান অবৈধ, অসাংবিধানিক কাজ করতে রাজি না হওয়ায় এমন অভিযোগ তুলেছেন ইমরান। আনজুম আরও বলেন, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর রাজনীতির বাইরে থাকার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। তাই সরকারকে সমর্থন দিতে ইমরান খানের ক্রমাগত অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে সেনাবাহিনী।
আইএসআইপ্রধান সাধারণত জনসম্মুখে আসেন না। সংবাদ সম্মেলনে এসে অবশ্য তিনি বলেননি ইমরান কোথায় এমন অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক–ই–ইনসাফের নেতা আসাদ উমর এ ধরনের অবৈধ সমর্থনের অনুরোধের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। পাকিস্তানের স্বাধীনতার সাড়ে সাত দশকের মধ্যে তিন দশকের বেশি সময় দেশটির সরাসরি শাসনক্ষমতায় ছিল সেনাবাহিনী। বেসামরিক ব্যক্তিরা ক্ষমতায় থাকলেও পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণে সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।

বিশ্লেষকরা বলেছেন ২০১৮ সালে প্রথমবার ইমরান খানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পেছনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল।
আনজুম বলেছেন অতীতে সেনাবাহিনী ভুল করেছে। তবে সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠানিকভাবে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গত এপ্রিলে পার্লামেন্টে বিরোধীদের ভোটে ইমরান খান ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর থেকে ইমরান আগাম নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছেন। আজ শুক্রবার লাহোর থেকে ইসলামাবাদ পর্যন্ত বিক্ষোভমিছিল করার ঘোষণা দিয়েছেন ইমরান।
পাকিস্তানের সরকার বলছে নির্ধারিত সময় আগামী বছরের অক্টোবরে নির্বাচন হবে।