ইমরানের অভিযোগ, তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতাদের নানাভাবে হেনস্তা করছে সরকার। এ ছাড়া ক্ষমতাধর সেনাবাহিনীর সঙ্গে দলটির সম্পর্কে দেয়াল টানতেও সরকার কূটকৌশলে লিপ্ত। পিটিআইয়ের এক নেতাকে রিমান্ডে নিয়ে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও করেন ইমরান। এ জন্য এক সমাবেশে জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা ও এক বিচারককে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন তিনি।

ফয়সাল চৌধুরী বলেন, হাইকোর্ট ইমরান খানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযোগ তুলে নিতে বললেও ইমরান খানের বিরুদ্ধে মামলা চলবে। তবে এর কার্যক্রম চলবে সাধারণ আদালতে। সন্ত্রাসবিরোধী আদালতে তাঁর বিচার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে।

ইমরান খানের বিরুদ্ধে পুলিশের বাদী হয়ে করা মামলাটি নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে পাকিস্তানে আলোচনা ছিল। ইমরান খান গ্রেপ্তার হতে পারেন এমন গুঞ্জনও ছিল। তবে ইমরান বরাবরই দাবি করে আসছেন, তাঁর মন্তব্য হুমকি দেওয়ার উদ্দেশে৵ ছিল না। তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিই বোঝাতে চেয়েছিলেন।

যথাসময়ে নির্বাচন

এদিকে পাকিস্তানের জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ গত রোববার পিএমএল–এন নেতা নওয়াজ শরিফের সঙ্গে লন্ডনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। এসব আলোচনার মধ্যে দেশটির সাধারণ নির্বাচনের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। সাড়ে তিন ঘণ্টার আলোচনার পর তাঁরা যথাসময়ে পাকিস্তানে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়েছেন। পাকিস্তানের বর্তমান জোট সরকার নির্ধারিত মেয়াদ শেষ করবে বলেও তাঁরা সম্মত হন। এদিকে পিটিআই নেতা ইমরান খান বারবার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার জন্য দাবি জানাচ্ছেন। দ্রুত নির্বাচনের সময় ঘোষণা না দিলে তিনি ব্যাপক আন্দোলন করার হুমকি দিচ্ছেন।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন